‘হোমকামিং’–ত্রয়ীর প্রথম পর্ব ‘স্পাইডার–ম্যান: হোমকামিং’ মুক্তি পায় ২০১৭ সালে, ২০১৯ সালে আসে ‘স্পাইডার–ম্যান: ফার ফ্রম হোম’ এবং আগামী ১৭ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে শেষ পর্ব ‘স্পাইডার–ম্যান: নো ওয়ে হোম’। সনির প্রযোজিত ছবিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় করে এই ত্রয়ী।

default-image

২০০২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ‘স্পাইডার–ম্যান’ সিরিজের পাঁচটি ছবি বানায় সনি। কিন্তু ২০১৫ সালে ‘দ্য অ্যামাজিং স্পাইডার–ম্যান টু’ বক্স অফিসে সুবিধা করতে পারেনি। তখন মার্ভেল ও সনি একটি চুক্তি করে। যার মাধ্যমে ২০১৬ সালের মার্ভেলের ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: সিভিল ওয়ার’ ছবিতে ঢুকে পড়ে স্পাইডার–ম্যান। চুক্তিতে বলা হয়, মার্ভেল স্টুডিওস স্পাইডার–ম্যান সিরিজের ছবি বানাবে আর সনি সেগুলো মুক্তি দেবে। এই চুক্তি শুধু মার্ভেল দুনিয়ায় স্পাইডার–ম্যানকেই আনেনি, বরং একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেয়। পাশাপাশি এই চরিত্রের সঙ্গে মার্ভেলের অন্য সুপারহিরোদের সঙ্গেও সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। যেমন মার্ভেলের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’।

‘ফার ফ্রম হোম’ মুক্তির পরেই সনি–মার্ভেলের এই চুক্তি ভেঙে যায়। স্পাইডার–ম্যান ভক্তদের মধ্যেও শুরু হয় হতাশা। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সনি ও মার্ভেল ঘোষণা করে যে তারা আবার নতুন চুক্তি করেছে। যার মধ্যে হল্যান্ডের ট্রিলজিটি শেষ করার অনুমতি আছে। মার্ভেলের আরও একটি ছবিতে টম হল্যান্ড থাকতে পারবেন।
‘স্পাইডার–ম্যান: নো ওয়ে হোম’ পরিচালনা করেছেন জন ওয়াটস। টম হল্যান্ড ছাড়াও অভিনয় করেছেন জেন্ডায়া, উইলেম ডেফো, জেমি ফক্স প্রমুখ।

বিশ্ব চলচ্চিত্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন