বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভুলে যাওয়া ভালোবাসা

ভাবতে অবাক লাগে। শুধু অবাক নয়, চোখ কপালে উঠে যায় কেমন ভালোবাস আমায়? আমাকে পাওয়ার জন্য তুমি সারাক্ষণ ছটফট করতে। অন্য কারও সঙ্গে কথা বলায় তুমি আবেগে আপ্লুত হয়ে যেতে। তিন-চার বছর তুমি আমাকে একতরফা ভালোবাসতে, সে ভালোবাসাটা ছিল অভাবনীয় পবিত্র। তোমার সে ভালোবাসায় কিন্তু আমিও নিমজ্জিত ছিলাম। তোমার যতটুকু আমার প্রতি ভালোবাসা ছিল, ঠিক ততটাই ভালোবাসা তোমার প্রতি আমার ছিল।

তবে দুজনেই তা লুকিয়ে রেখেছিলাম। তোমার প্রতি আমার দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও আমি চলে যাই ময়মনসিংহ শহরে। কিন্তু দূরে গেলেই কী হবে, ‘চোখের আড়াল তো মনের আড়াল’ কেন জানি আমার বেলায় খাটল না। ভালোবাসার তাড়নায় তোমাকে কল দিলাম ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায়। দুজনে ভালোবাসার কণ্ঠে কথা বললাম। কয়েক বছরের অপ্রকাশিত ভালোবাসা সেদিন প্রকাশ করলাম ফোনালাপের মাধ্যমে। দিনটাকে নির্ধারিত করলাম দুজনের ভালোবাসা দিবস হিসেবে। কয়েক বছর উদ্‌যাপনও করা হলো। কিন্তু আজ ভাবতে অবাগ লাগে, ভালোবাসাও বুঝি ফুরিয়ে যায়। এখন আমাদের ভালোবাসা দিবস চলে যায়, আমরা মনেও রাখি না। কেউ কাউকে উইশ করা হলো না। বড় কষ্ট হয়, ভালোবাসার দিনগুলো আমরা কীভাবে ভুলে যাই?

মাহমুদুল হাসান, ময়মনসিংহ

খুব মিস করি তোমাকে

কেমন আছ তুমি শিমুল? হয়তো খুব ভালো। একবারও কি তোমার জানতে ইচ্ছা করে না, কেমন আছি আমি? আমার কি একটু খোঁজ নেওয়া যায় না? এত অভিমান কেন তোমার? কীভাবে পারো আমার সঙ্গে একটা কথাও না বলে থাকতে? একটুও কি মায়া হয় না আমার জন্য। আজকাল খুব নাম ধরে ডাকতে ইচ্ছা করে তোমাকে। আর কোনো দিন কি কথা বলবে না? এত ঘৃণা কর আমায়। আচ্ছা, একটা কথা বলি, তোমাকে অনেক অনেক বেশি ভালোবাসি। শুধু এই কারণেও কি আমার সব অপরাধ ক্ষমা করে দেওয়া যায় না?

এহছান, চট্টগ্রাম কলেজ

অটোতে প্রথম দেখা

এই তো মাত্র এক মাস আগে তোমার সঙ্গে আমার পরিচয়। শুরুতে তোমার প্রতি আমার একধরনের ভালো লাগা ছিল। সেটা ধীরে ধীরে কখন যে ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে, নিজেই বুঝিতে পারিনি। আমি তখন টিটিসিতে প্রশিক্ষণের ক্লাস শেষে বাসার দিকে ফিরছিলাম। তুমি স্কুলের ক্লাস শেষ করে বাসায় ফিরছিলে। অটোরিকশায় আমি অন্যমনস্ক হয়ে ভাবতেছিলাম, হঠাৎ তোমার গলার আওয়াজ পাই, এক্সকিউজ মি, আপনার পাশে একটু বসতে পারি। আমি কিছুক্ষণ তোমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম।

ওই দিন তোমার–আমার গন্তব্যস্থান একই ছিল। তোমার পরিচয় পেলাম। এর পর থেকে আমাদের এখন পর্যন্ত প্রতিটা দিনই দেখা হচ্ছে। আমাদের দিনকাল ভালোই চলছে। এখন আমার বয়স ২২ বছর। ৪-৫ বছর পরে আমি বিয়ে করব। অনেক চিন্তাভাবনা করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে লাইফে যদি লাইফ পার্টনার করি, তাহলে তোমাকেই করব ইনশা আল্লাহ। কারণ, জীবনসঙ্গী হিসেবে তুমি সেরা। আই লাভ ইউ অপরিচিতা। তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম।

সজীব

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন