default-image

করোনার এই সময়ে অনেক কিছুতেই ভাটা পড়েছে। স্বাভাবিক সময়ে ঈদের আগে প্রিয়জনদের জন্য ঈদ উপহার কেনার ধুম পড়ে যেত। গত বছর থেকে সেই পরিস্থিতিতে বদল এসেছে। যদিও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা আছে শপিং মল। কিন্তু অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে বাইরে কেনাকাটা করতে চাচ্ছেন না। তাই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবারের ঈদের উপহার কিনে ফেলুন অনলাইনে।

প্রায় সব ফ্যাশন হাউস বা দোকান তাদের অনলাইন সেবার পরিধি বাড়িয়েছে। দেশে এমনকি দেশের বাইরেও উপহার সরবরাহ করছে তারা। আড়ং, বিশ্বরঙসহ আরও কিছু ফ্যাশন হাউস দেশের বাইরেও পোশাক পৌঁছে দেওয়ার সেবা চালু করেছে।

অনলাইনভিত্তিক গয়নার পেজ সিক্স ইয়ার্ডস স্টোরির স্বত্বাধিকারী জেরিন তাসনিম বলেন, করোনার এই সময়ে অনলাইনে অনলাইন কেনাকাটা অনেক বেড়েছে। উপহার পৌঁছে দেওয়ার রীতি কমে যাওয়ায় ফরমাশ দেওয়ার পর আমরাই সেই ঠিকানায় উপহার পৌঁছে দিচ্ছি। অনেকেই উপহারের সঙ্গে একটা বিশেষ বার্তা লিখে (চিরকুট) দিতে অনুরোধ করেন। সেগুলোও করে দিচ্ছি আমরা।’

নতুন কাপড়, জুতা বা গয়নার মধ্যেই কিন্তু ঈদের উপহার সীমাবদ্ধ নয়। চাইলে একটু ভিন্ন ধরনের ঈদ উপহার দেওয়া যায়। বাবার জন্য পাঞ্জাবির পাশাপাশি উপহার হতে পারে চশমার ফ্রেম, হাতঘড়ি। নতুন জায়নামাজও উপহার হিসেবে ভালো হবে।

মায়ের জন্য তাঁর প্রয়োজন বুঝে ভিন্ন কিছু ঈদ উপহার বাছাই করতে পারেন। মাকে খুশি করতে সংসারের দরকারি বা কাজ সহজ করে এমন কিছু কিনতে পারেন। তা হতে পারে ঈদের দিনের রান্নার জন্য তৈজসপত্রের পুরো একটা সেট, কাটাকুটির জন্য ছুরি–কাঁচির সেট, গ্লাইন্ডার। এ ছাড়া পছন্দের শাড়ি, ব্যাগ বা জুতা তো উপহার হতেই পারে।

প্রিয়জন বা বন্ধুদের চাইলে দিতে পারেন সুগন্ধি, মানিব্যাগ, বেল্ট, ব্যাগ, গয়না। আবার ঈদ উপহার হিসেবে ঘর সাজানোর সামগ্রী, ল্যাম্প শেড, টব ইত্যাদি ভালো উপহার। বইপাগল বন্ধুদের দিতে পারেন পছন্দের বই। করোনার সময়ে আরেকটি সুন্দর উপহার গাছ। অনলাইনে অনেক নার্সারিতেই ফোনের মাধ্যমে ফরমাশ দিয়ে পৌঁছে দেওয়া যায় গাছ। এটি উপকারী ও পরিবেশবান্ধব উপহার বটে। বর্তমানের সময়টা প্রযুক্তিনির্ভর, তাই পেনড্রাইভ, পাওয়ার ব্যাংক, ব্লুটুথ স্পিকার, চার্জার, হেডফোন, স্মার্ট ঘড়ি ইত্যাদিও ভালো ঈদ উপহার।

তবে যেটাই কিনবেন, প্রতিষ্ঠিত বা চেনাজানা অনলাইনেই ভরসা রাখা ভালো।

বিজ্ঞাপন
প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন