বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পানির প্রবাহ থাকুক নিয়ন্ত্রণে

আপনি হয়তো পানি পাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। আবার কোথাও রাত জেগে মোটর চালিয়ে পানি ধরছেন কেউ। সুপেয় পানির অভাব বিশ্বব্যাপী। ভেবে দেখুন, শহরের এক এলাকায় বেশি পানিপ্রবাহের কারণে উঁচু এলাকায় হয়তো পানিপ্রবাহ কম হচ্ছে। কষ্টে পড়ছেন সেখানকার মানুষ। তাই পানি ‘ব্যবহার’ করুন, অপচয় নয়।

খেয়াল রাখুন

 পানির কলে হালকা বা মাঝারি প্রবাহ রেখে কাজ করুন। খুব জোরে পানি প্রবাহিত হলেই যে কাজ দ্রুত হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়।

 হাত-মুখ ধোয়ার সময় কল খোলা রাখবেন না। গোসল বা কাপড় ধোয়ার সময়ও অপচয় নয়। সাবান-শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার লাগিয়ে অপেক্ষা করার সময়ও কল বন্ধ রাখুন।

 পান করার পর গ্লাসে পানি রয়ে গেলে তা ফেলে না দিয়ে গাছের গোড়ায় দিয়ে দিতে পারেন। পোষা প্রাণীর জন্য রাখা পানি বদলানোর সময়ও একইভাবে কাজে লাগাতে পারেন।

 বাথরুমের ফ্লাশের ধারণক্ষমতা কম হলে কিন্তু ক্ষতি নেই। অধিক ধারণক্ষমতার ফ্লাশে একবার চাপ দিলে যতটা পানি বেরিয়ে যায়, প্রতিবারই ততটা পানির প্রয়োজন পড়ে না। বাড়ি তৈরির সময়েই বিষয়টি মাথায় রাখা ভালো।

আলো-হাওয়া চাই যখন

দিনের আলো আর প্রাকৃতিক হাওয়াকে স্বাগত জানান আপন আলয়ে। ভোরবেলাতেই জেগে উঠুন রোজ। দিনের আলোতেও হোক পড়ালেখা ও অন্যান্য কাজ। রাতভর জেগে থাকলে বৈদ্যুতিক আলো জ্বালানোর প্রয়োজন পড়ে বেশি কিংবা ডিজিটাল ডিভাইসে হয়তো সময় কাটে বেশি। সেগুলো ঘন ঘন চার্জে দেওয়ারও প্রয়োজন পড়তে পারে। সুস্বাস্থ্য আর সু-অভ্যাস দুটিই হবে ভোরের জাগরণে। আপনি ভরপুর হবেন প্রাণশক্তিতে, আর বেঁচে যাবে অহেতুক বিদ্যুৎ–শক্তির খরচ।

ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে বাতি ও পাখা নিভিয়ে দেবেন অবশ্যই। আধুনিক পরিবারে নিজের ঘরে সময় কাটে নিজের মতো। কেমন হয় যদি কখনো একই ঘরের এক পাশে মা উপন্যাস পড়েন আর অন্য পাশে ছেলের হাতেও থাকে একটি বই? আর ছোট্ট মেয়ের হাতে খেলনা? কিছুটা সময় বন্ধ থাকবে অন্য ঘরগুলোর বাতি ও পাখা, কাটবে কিছুটা পারিবারিক সময়ও।

খুব প্রয়োজন না হলে বৈদ্যুতিক যন্ত্র কম ব্যবহার করাই ভালো। বাড়িতে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থাকলেই যে সব সময় তা চালাতে হবে, তা কিন্তু নয়। কখনো কখনো প্রাকৃতিক হাওয়াও উপভোগ করতে পারেন ছাদে বা বারান্দায়। বারান্দার সবুজ গাছ ঘরেও আনে শীতল পরশ। কাপড় ধোয়ার যন্ত্রও প্রতিদিন না চালিয়ে কাপড় জমিয়ে রেখে কয়েক দিন অন্তর চালাতে পারেন।

জ্বালানির অপচয় নয়

গ্যাসের প্রবাহ অবিরাম পাচ্ছেন একই খরচে? তাতে কী? এ তো দেশের সম্পদ। দেশের সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কি আপনারও নয়? তাই ম্যাচের কাঠি বাঁচাতে চুলা জ্বালিয়ে রাখবেন না। প্রতিবার কাজ শেষ হওয়া মাত্র চুলা নিভিয়ে দিন। রান্নার সময় বা রান্নার পরে চুলার ওপর কাপড় শুকাবেন না, দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। মোটরযানের জ্বালানি বাঁচাতেও সচেষ্ট থাকুন। কিছু অভ্যাসে শরীরও ভালো থাকবে। কম দূরত্বের জন্য মোটরসাইকেলের চেয়ে সাইকেল ভালো। যেখানে হেঁটে যাওয়া সম্ভব, সেখানে গাড়িতে না গিয়ে একটু সময় নিয়ে হেঁটেই যান।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন