বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্ভুল গন্তব্যের চিঠি

বান্ধবীর পাল্লায় পড়ে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি চিঠি পাঠিয়ে ফেলেছি মনের বাক্সের ঠিকানায়। কিন্তু সব কটিই গেছে ভুল গন্তব্যে। এটিই আমার লেখা প্রথম চিঠি হতে চলেছে, যেটি সঠিক ঠিকানায় রওনা হতে প্রস্তুতি নিচ্ছে। ছাপা হবে কি না, জানি না। তারপরও যদি ছাপা হয়, তাহলে আমি তার কাছেই সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ থাকব, যে আমাকে মনের বাক্সের ভুল ঠিকানাটি দিয়েছিল। যে একমাত্র আমার লেখা পড়ে বলেছিল, ‘দারুণ লিখেছিস, নিশাত। মনের বাক্সে পাঠাতে পারিস তো। দেখবি ঠিক ছাপা হবে।’ কারণ, না হলে হয়তো আমার কোনো লেখাই কোনো দিন আলোর মুখ দেখতে পেত না। চিরকালই হয়তো সেগুলো বন্দী হয়ে থাকত ‘ডায়েরি’ নামের এক বদ্ধ কারাগারের কালো কালো গারদের ফাঁকে।

নিশাত তাবাসসুম, সরকারি হরচন্দ্র বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ঝালকাঠি

না বলার অপেক্ষা

প্রিয় এডিসি, মনের কথা না বলার আক্ষেপ অনেক দিন ধরে নিয়ে বসে আছি। কীভাবে তোমাকে ভালো লাগার কথা বলব, ভেবে পাই না। যখনই সেটা ভাবি, তখনই আমার মাথায় গোলমাল পেকে যায়। সেই ২০১০ সালে তোমাকে দেখার পর থেকে তোমার প্রতি দুর্বলতার জন্ম নিয়েছে। তখন যদিও আমি বুঝিনি এই দুর্বলতা কী, কিন্তু ২০১৪ সালে ঠিক বুঝতে পারলাম, তোমায় আমি প্রচণ্ড ভালোবাসি। উপলব্ধি করার পরও সাত বছর চলে যাচ্ছে, তারপরও তোমাকে আমার মনের কথাটি বলতে পারিনি। আমি জানি না, তুমি আমায় ভালোবাসো কি না। তবে আমি হলফ করে বলতে পারি, আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি। জানি না, তুমি বর্তমানে কোথায় থাকো? তবে যেখানেই থাকো, ভালো থেকো, এই প্রত্যাশা আমার।

ইতি আক্ষেপ নিয়ে বসে থাকা এক যুবক।

শুভ (সি), তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ

আমার গল্পের হিমু

হিমু। ভালোবেসে হিমু বলেই তোমাকে আমি ডাকি। হিমুর মতোই রহস্যময় মানব তুমি। হিমুর মতো খুব কাছে এসেও কখনো ধরা দাও না। আর যখন ভালোবাসা দিয়ে কাছে টেনে নাও, তখন হৃদয় ছুঁয়ে যায়। তুমি রহস্যেভরা এক মানুষ। আমি মাঝেমধ্যে তোমাকে বুঝে উঠতে পারি না। মাঝেমধ্যে না বোঝার ভান করি। মনে হয়, কিছু জিনিস না হয় রহস্যই থাক। তোমার এই রহস্যকে আমি বড্ড ভালোবাসি। আর তোমাকেও প্রচণ্ড ভালোবাসি। জানি, তুমিও আমাকে অনেক ভালোবাসো। আমাদের সম্পর্কের ১ বছর ২ মাস ৩ দিন ৪ ঘণ্টার (লেখার সময় হিসেবে) এই দীর্ঘ সময়ে অনেক বাধাবিপত্তি পার করেছি আমরা। এত কিছুর পরও তুমি আমাকে ভালোবেসে আমার সঙ্গে আছো। বেশি কিছু লিখব না। অনেক বেশি ভালোবাসি তোমাকে। এভাবেই সারা জীবন আমার পাশে থেকো ‘আমার গল্পের হিমু’ হয়ে।

নীলাঞ্জনা, নড়াইল

ভালোবাসি বনলতা সেন

তোমাকে প্রথম দেখেছিলাম বসন্তের কোনো এক বিকেলে। উদাস ভঙ্গিতে হেঁটে যাচ্ছিলে তুমি। তোমার মুখখানি দেখা না গেলেও, দুটি চোখ, হাত ও পা জানান দিচ্ছিল, সৌন্দর্য কাকে বলে। গায়ের রঙের সঙ্গে বিকেলের শেষ রোদের মাখামাখি হয়ে গেছে। তোমার অদেখা সৌন্দর্য আমার অনুভূতিকে তাড়িত করে। স্বপ্নসিঁড়ি ছাত্র কল্যাণ সংঘের কল্যাণে একদিন উপস্থিত হই তোমার শ্রেণিকক্ষে। সেদিন তোমার মুখখানি প্রথম দেখলাম। মনে হলো, জীবনানন্দ দাশ যেন তোমাকে দেখেছিলেন, না হলে তিনি ‘বনলতা সেন’ লিখলেন কীভাবে! কবিতার প্রতিটি লাইন যেন তোমাকে লক্ষ্য করে, তোমার রূপের বর্ণনাই লেখা। তোমাকে জানালাম আমার তাড়িত অনুভূতির কথা। অধুনার মনের বাক্সের মাধ্যমে তোমাকে আজ জানিয়ে দিলাম, নিজের চেয়ে অনেক বেশি ভালোবাসি তোমাকে প্রিয়তমা। বনলতা সেন, তোমারই অপেক্ষায় বেলা-অবেলায়...।

রাফিউল ইসলাম, ধুনট, বগুড়া

লেখা পাঠানোর ঠিকানা

অধুনা, প্রথম আলো, প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০–২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: [email protected], ফেসবুক: facebook.com/adhuna.PA খামের ওপর

ও ই-মেইলের subject–এ লিখুন ‘মনের বাক্স’

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন