বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

জেনে নিন শরীর এই ফাস্টিংয়ের উপযোগী কিনা?

ওয়াটার ফাস্টিং করার আগে জেনে নিতে হবে আপনার শরীর এ ধরনের ডায়েটের উপযোগী কি না। সাধারণত হিমোগ্লোবিন কম থাকলে এটা করা যাবে না। যাঁদের ডায়াবেটিস আছে এবং রক্তচাপ কম থাকে, তাঁরা ওয়াটার ফাস্টিং করতে পারবে না। ইসরাত জাহান আরও জানান, অনেক সময় কাজের ধরন, বয়স, ওজন এবং কতটুকু শারীরিক পরিশ্রম করছেন, তার ওপর নির্ভর করেও ওয়াটার ফাস্টিং চার্ট করা হয়ে থাকে।

default-image

ফাস্টিংয়ের তালিকা

যারা শারীরিকভাবে সুস্থ, তাঁদের জন্য ওয়াটার ফাস্টিংয়ের একটা নমুণা তালিকা দিলেন ইসরাত জাহান। যেমন সকাল আটটার মধ্যে ঘুম থেকে উঠে হালকা কুসুম গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করতে হবে। এরপর বেলা ১১টার দিকে আঁশসহ যে কোনো ফলের রস। বেলা দুইটায় শসা ও টমেটোর জুস। বিকেলে এক কাপ লাল চালের ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন এক টুকরা মাছ আর এক বাটি সবজি। ভাত খেতে না চাইলে এ সময় ভেজিটেবল স্যুপও খেতে পারেন। সন্ধ্যা বেলায় চিয়া বীজ খেতে পারেন লেবু দিয়ে। আর রাতে ঘুমানোর আগে এক কাপ টক দই খাওয়ার পরামর্শ দিলেন এই পুষ্টিবিদ।

default-image

কখন করবেন?

শুধু কি দিনের শুরুতে এই ওয়াটার ফাস্টিং করতে হবে? এর উত্তরে পুষ্টিবিদ ইসরাত জাহান বলেন, ‘আমরা যখন রাতে ঘুমাই, তখন বিশ্রামের মধ্যে থাকি। যে কারণে ফাস্টিং খুব একটা কাজে আসে না। সকালে যেহেতু আমরা সজাগ থাকি এবং বিভিন্ন ধরনের কাজের মধ্যে থাকি, তাই এ সময় ওয়াটার ফাস্টিং দ্রুত কাজ করে ওজন কমাতে সাহায্য করে।’

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন