বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উত্তর

default-image

কিটো ডায়েট এমন এক ধরনের রোগীদের জন্য দেওয়া হয়, যাঁদের মস্তিষ্কে গ্লুকোজের পরিমাণ কমিয়ে উচ্চমাত্রার চর্বি এবং তা অনেক বেশি পরিমাণে খাওয়ানো হয়। যাতে করে তাঁদের খিচুনি কমে, অর্থাৎ মৃগী বা এপিলেপসি রোগে চিকিৎসায় এই ধরনের ডায়েট দেওয়া হয়। তাই কিটো ডায়েট অন্যদের অর্থাৎ ওজন কমানোর জন্য ক্ষতিকর; কারণ, যখন কেউ খুব কম কার্বোহাইড্রেট/শর্করা খেতে থাকবে, তার কিছু সমস্যা হতে পারে।

যে সমস্যাগুলো হতে পারে—

  • প্রথমেই শরীর থেকে পানি কমে গিয়ে পানিশূন্যতা দেখা দেবে। এ থেকে শরীরে ইলেকট্রোলাইট অসমতা (ইমব্যালান্স) হয়ে বমি-বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ত্বক শুষ্ক হয়ে দাগ পড়ে যায় অন্যদিকে শর্করা কম খাওয়ায় শরীরে শক্তি কমে মাথাব্যথা, দুর্বলতা, অল্পতেই বিরক্ত হওয়া, সারাক্ষণ ঘুম-ঘুম ভাব থেকে পড়াশোনা বা কাজে কম মনোযোগ, পড়া মুখস্থ না থাকা, কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য, কখনো ডায়রিয়াসহ আরও অনেক কিছু হতে থাকে।

  • অন্যদিকে কিটো ডায়েটে চর্বি অনেক বেশি খাওয়ায় রক্তে, শরীরে এমনকি শরীরের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় যেমন লিভার, কিডনি, হার্টে ওই চর্বি জমে ফ্যাটি লিভার, হৃদ্‌রোগ, কিডনির সমস্যা, উচ্চরক্ত চাপ, হাড়ক্ষয়, গেটে বাত (গাউট), ডায়াবেটিস রোগীর এমনকি নন-ডায়াবেটিক ব্যক্তিরও রক্তের গ্লুকোজ কমে হাইপোগ্লাইসিমিয়া হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

সবচেয়ে বড় বিষয়, কিটো ডায়েট ছেড়ে স্বাভাবিক খাবার খেতে শুরু করলে আবার ওজন বাড়তে থাকবে। তাই ওজন কমানোর জন্য কোনো অস্বাস্থ্যকর, অস্বাভাবিক, ম্যাজিক পদ্ধতি না করে সঠিক নির্দেশনা মেনে ওজন কমানো উচিত, যাতে দীর্ঘদিন পর্যন্ত স্বাভাবিক ওজন ধরে রাখা যায়।

ঘোষণা

পাঠকের প্রশ্ন, বিশেষজ্ঞের উত্তর

পাঠকের প্রশ্ন পাঠানো যাবে ই–মেইলে, ডাকে এবং প্র অধুনার ফেসবুক পেজের ইনবক্সে।

ই–মেইল ঠিকানা: [email protected]

(সাবজেক্ট হিসেবে লিখুন ‘পাঠকের প্রশ্ন’)

ডাক ঠিকানা: প্র অধুনা,

প্রথম আলো, ১৯ কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫। (খামের ওপর লিখুন ‘পাঠকের প্রশ্ন’), ফেসবুক পেজ: fb.com/Adhuna.PA

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন