বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১. আমরা সন্তানদের নানা রকম উপহার দিয়ে থাকি কিন্তু তা অনেক সময় হয় মাত্রা ছাড়া। এটি ঠিক নয়। আর জানা ভালো, পরস্পরের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের চেয়ে বড় উপহার আর হতে পারে না।

২. শিশুদের হাত ধরে টেনে তুলুন। এতে তাদের বাহুর ব্যায়াম হয়, শিশু এতে আনন্দও পায়।

৩. দুঃস্বপ্ন দেখার পর তাদের নিয়ে আসুন আপনার বিছানায়। অনেক বাচ্চা ঘুমের সময় কেঁদে ওঠে, হয়তো সে দেখেছে কোনো দুঃস্বপ্ন, তাকে নিজের বিছানায় নিয়ে এসে আদর করুন, বুকে জড়িয়ে ধরে সোহাগ দিন, দেখবেন সে নিশ্চিন্ত হবে। মুহূর্তেই শিশুর কাছে দুঃস্বপ্ন হয়ে যাবে সুদূর অতীত।

৪. শিশুদের নিয়ে যান খেলার মাঠে। মা–বাবা তাদের সঙ্গে খেলা করবেন, আনন্দ করবেন, দোল খাবেন, এতে শিশুদের সঙ্গ দেওয়া হবে। তারা অন্যের ওপর নির্ভরতা কমাবে।

default-image

৫. কঠিন কোনো অভিজ্ঞতার পর আশ্বস্ত করুন। তাদের জড়িয়ে ধরুন, কোলাকুলি করলে তারা স্বস্তি পায় বেশি। মনে রাখবেন, স্পর্শ হলো মানব–চাহিদা, মা–বাবাদের তা ভোলা উচিত নয়।

৬. ঘাসের সবুজে কি শিশুকে নিয়ে গড়াগড়ি খেতে মন চায়? নেমে পড়ুন, পোশাক বা শরীর হয়তো কিছুটা নোংরা হলো কিন্তু তাতে কি আনন্দ কম হবে! তবে এই ঘাস যদি নিজ প্রাঙ্গণের হয়, তাহলে বেশি ভালো। এতে সন্তান বুঝবে, বাবা ‘না’ বলেন না।

৭. সন্তানের জন্মদিনের পার্টি মিস করবেন না কখনো। এটা শিশুর মনে অনেক আঘাত দিতে পারে। আপনি তাকে কী খেলনা দিলেন, তা শিশুরা খুব একটা মনে রাখে না কিন্তু মনে রাখে, ‘আমার পার্টিতে বাবা ছিল, মা ছিল।’

৮. আপনার কাজ শেষে একা থাকা সন্তানের কাছে পৌঁছাতে দেরি করবেন না। স্কুলফেরত ছেলে বা মেয়ে অপেক্ষায় থাকলে তাদের কাছে পৌঁছাবেন সময়মতো, দেরি করা যাবে না। দেরি হলে তারা অনেক উদ্বিগ্ন হবে, আর যদি কোনো কারণে দেরি হয়ে যায়, তাহলে কারণ জানাবেন ফোন করে, সেই সঙ্গে তারা এই সময় কোথায় থাকবে, তা–ও বুঝিয়ে বলবেন।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন