বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কখন বুঝবেন গেমে আসক্তি হয়েছে

গেম খেললেই সেটিকে নেতিবাচকভাবে নেওয়া যাবে না। দেখতে হবে সেটি আসক্তির পর্যায়ে চলে গেছে কি না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিভিন্ন গবেষক দলের মতে, গেমিং আসক্তির লক্ষণগুলো ১২ মাস ধরে থাকতে হবে।

• ইন্টারনেট ব্যবহার বা গেম খেলা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। অনেক বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্যবহার করবে;

• দিন দিন ইন্টারনেটে গেম খেলার সময় বাড়তে থাকবে;

• জীবনের সব আনন্দের উৎস হবে ইন্টারনেট বা গেম। এগুলো ছাড়া আর কোনো কিছুতেই আনন্দ পাবে না;

• যে কাজগুলো করার কথা, যেমন: পড়ালেখা, অফিস, বাসার কাজ, তা ব্যাহত হবে। পরীক্ষার ফল খারাপ হতে থাকবে। কাজের মান কমে যাবে। অফিসে দেরিতে যাবে।

• নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পারলে উৎকণ্ঠা আর অস্বস্তিতে ভুগবে। খিটখিটে মেজাজ হবে। আচরণ আগ্রাসী হয়ে উঠবে;

• ঘুমের সমস্যা দেখা দেবে। দিনে ঘুমাবে আর রাতে জাগবে।

• খাবার গ্রহণে অনিয়মিত হয়ে উঠবে। দ্রুত খাওয়া যায় এমন খাবার গ্রহণ করবে, যেমন ফাস্টফুড।

• সামাজিকতার দক্ষতা কমে যাবে। কারও সঙ্গে মিশবে না। নিজেকে গুটিয়ে রাখবে।

গেমে আসক্তি হতে পারে—এই ভেবে গেম থেকে দূরে থাকা যাবে না; বরং নিরাপদ গেম খেলতে হবে, পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে গেম খেললে আসক্তির আশঙ্কা কমে যাবে আর গেম বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। যেসব গেমে সহিংসতা, আগ্রাসী আচরণ আর অশালীন ভাষা থাকে, সেসব গেম পরিহার করতে হবে। ইন্টারনেট গেম, যেমন বিনোদন, তেমনি এতে আসক্তির ঝুঁকি রয়েছে। যৌক্তিকভাবে নিয়ম মেনে গেম খেললে আসক্তির ঝুঁকি কমানো যায়।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন