default-image

১. প্রথম দেখাতেই স্মিত হাসুন

এভাবেই মানুষকে ইমপ্রেস করতে হয়। কারণ, দেখা–সাক্ষাতের তিন সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার সম্বন্ধে অপর পক্ষের একটি ধারণা হয়ে যাবে। তাই সাক্ষাৎ হলেই স্মিত হেসে অভ্যর্থনা জানান। এর আবেদন অনন্য। এ ছাড়া হাসলে মেজাজ ভালো থাকে, চাপ যাবে কমে, কমবে রক্তচাপ, উজ্জীবিত হবে দেহের রোগ প্রতিরোধশক্তি।

২. লক্ষ্য ধাবনে থাকে যেন প্যাশন

অনেক অর্জন করতে হলে প্রবল আর গভীর অনুভূতির পাশাপাশি আগ্রহ থাকা চাই। লক্ষ্যের দিকে এগোতে হবে ভালোবেসে, অনেক আগ্রহ আর আসক্তি নিয়ে। তাহলেই আসবে সাফল্য।

৩. নজর থাকবে যেকোনো কিছুর আলোকিত দিকে

শরীর ঝরঝরে করতে হবে। অলসতা ঝেড়ে উঠতে হলে, ঘুরে দাঁড়াতে হলে চাই সুন্দর দৃষ্টিভঙ্গি। জীবনে যা ভালো, সেদিকে এগিয়ে যান। হবে হবে জয়।

৪. চাই শরীরের চর্চা

মগজ হবে শাণিত। মানসিক স্বাস্থ্য হবে ভালো। এর জন্য চাই ব্যায়াম করা। এতে শরীর হবে নিটোল, ঘুম হবে গভীর। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। শরীর যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি মন হবে সবল।

৫. টেবিল আচার খেয়াল করবেন

সবার সঙ্গে খেতে বসে ভদ্রতা বজায় রাখুন। মুখ বন্ধ করে আহার করার অভ্যাস করুন। সুন্দর দেহভঙ্গি, শব্দ না করে খাওয়া, ন্যাপকিন ব্যবহার, চামচ, ছুরির সঠিক ব্যবহার আর খাওয়ার ধারাবাহিকতা রাখুন। খাবার শেষ করে আগে উঠতে হলে অনুমতি নেওয়া একধরনের ভদ্রতা, সেটা মেনে চলুন।

বিজ্ঞাপন

৬. পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন থাকুন

হাত ভালো করে ২০ সেকেন্ড ঘষে সাবান জল দিয়ে পরিষ্কার করুন। আহারের আগে বা রান্নার আগে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিন। সাবান জল না থাকলে ব্যবহার করুন স্যানিটাইজার। পরিচ্ছন্ন পোশাক পরুন। এতে আপনার সম্বন্ধে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে।

৭. থাকুন সুবাসিত

সুন্দর পরিষ্কার গন্ধ মন করে ভালো। বাড়ায় আত্মবিশ্বাস। যাতে অন্যের ওপর এর প্রভাব পড়ে। প্রতিদিন স্নান করুন। শরীরচর্চার পর তো অবশ্যই। নিয়মিত কোলন, সাবান, শ্যাম্পু, সুগন্ধি, ডিওডেরান্ট ব্যবহার করুন। মুখের বাতাসে যাতে থাকে সুবাস, তাই প্রতিদিন ব্রাশ করুন, ফ্লস করুন আর ডেন্টিস্টের উপদেশ মেনে চলুন।

৮. পরিপাটি পোশাক

পোশাক সহজ সাধারণ হলেও যেন হয় মার্জিত ও শোভন। সুসজ্জিত থাকলে মনে হবে আপনি প্রস্তুত। ক্ল্যাসিক রং বেছে নিতে পারেন, কালো, ধূসর বা নেভি ব্লু। পরুন এক রঙের মোজা, মিলিয়ে পরুন টাই, গাঢ় রং পলিশ করা জুতা। চুল আর নখ থাকবে পরিপাটি আর পরিচ্ছন্ন। অলংকার তেমন না পরা ভালো।

৯. হবেন ভদ্র, শোভন

চারপাশের সবার প্রতি ভদ্র, সদয় হলে নিজের ব্যক্তিত্ব অন্য মাত্রা পায়। এতে আপনি যে অন্যদের মানুষ বলে বিবেচনা করেন, তা বোঝা যায়। অনেক উঁচুতে গেলে এ বোধ থাকে না। অন্যদের জন্য ভালো কিছু করা, কিছু উপকার করা, মানুষ দেখবে আর তখন আপনার সম্বন্ধে ধারণা ভালো হবে। অন্যের ভালো করলে নিজের মনও ভালো হয়। তবে আপনার কাজ আপনি করে যাবেন, কাউকে দেখানোর উদ্দেশ্যে করলে হিতে ঘটবে বিপরীত।

১০. হতে হবে তৎপর

সময়মতো হাজির হলে মানুষ ভাবে আপনি তাদের মূল্য দেন আর কাজটির প্রতি আপনার ঐকান্তিক আগ্রহ আছে। নথিতে লিখে রাখুন। বড় অনুষ্ঠান বা আয়োজন থাকলে আগের রাতে প্রস্তুতি নিন। কত সময় লাগবে কাজ সম্পন্ন হতে। কোনো বাধা থাকবে কি না? যেমন ট্র্যাফিক জ্যাম। সেসব বুঝে আগে যাত্রা করুন। সময়মতো পৌঁছালে আয়োজকেরাও খুশি হবেন। আপনার প্রতি ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন