আদবকেতা

দোকানপাটে মানুন স্বাস্থ্যবিধি

কেনাকাটা করতে গিয়ে মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।
কেনাকাটা করতে গিয়ে মেনে চলতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। ছবি: অধুনা
বিজ্ঞাপন

করোনার প্রভাব আমাদের দেশে এখনো আছে, কিন্তু স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জীবনযাত্রা। কয়েক মাসের কেনাকাটা স্থবির। তাই অনেকেই শপিং মল, বাজার বা দোকানপাটে যাচ্ছেন প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে। কেউ কেউ ভয় পাচ্ছেন লোকজনে ঠাসা বাজারে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে। কিন্তু প্রয়োজন তো আর থেমে থাকে না। তবে নতুন স্বাভাবিক সময়ে দাঁড়িয়ে শপিং মলে যাওয়ার আগে কিছু নিয়ম মানা এখন আপনার শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে।

নিজে ভালো থাকার পাশাপাশি, পাশের লোকটিরও যাতে ক্ষতি না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাই যখন শপিং মলে যাবেন, অবশ্যই নতুন স্বাভাবিক সময়ের স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলা জরুরি।

এই সময়ে মলে গিয়ে স্বাস্থ্যের কোন বিষয়গুলো নজরে রাখবেন, সে বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আহমেদুল কবীর কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। ইন্টারনেট ঘেঁটে বিদেশি কয়েকটি ম্যাগাজিন থেকেও মিলেছে আরও কিছু তথ্য।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যেখানেই কেনাকাটা করতে যাবেন, অবশ্যই মাস্ক পরবেন। ঘরের বাইরে গেলেই মাস্ক পরা উচিত।

  • শপিং মল, বাজার বা দোকানে যাওয়ার আগে হাতে দস্তানা (গ্লাভস) পরুন।

  • যদি দোকানে বা শপিং মলে ঢোকা বা ক্যাশ কাউন্টারে দূরত্ব বন্ধনী আঁকা থাকে, তবে সেটা মেনে নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়াবেন। আপনার সামনে ও পেছনের ক্রেতার সঙ্গে আপনার দূরত্ব নিশ্চিত করুন নিজেই।

  • শপিং মলে জীবাণুমুক্ত টানেল থাকলে সেটার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করুন।

  • জুতা জীবাণুমুক্ত করার জন্য ব্যবস্থা থাকলে ৩০ সেকেন্ড সেখানে দাঁড়াতে হবে।

  • যদি লিফট ব্যবহার করতে হয়, তবে লিফটের বোতাম হাতের কনুই বা টিস্যু দিয়ে চাপ দেবেন এবং আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট পাত্রে টিস্যুটি ফেলতে ভুলবেন না।

  • সিঁড়ি বা চলমান সিঁড়িতে ওঠানামার ক্ষেত্রে রেলিং ধরবেন না।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেনাকাটার সময় কিছু ধরলে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।

  • দোকানে ঢুকে বিনা কারণে এটা-সেটা হাত দিয়ে নেড়েচেড়ে দেখা থেকে বিরত থাকতে হবে।

  • পোশাকের দোকানে গেলে চেষ্টা করতে হবে শরীরের মাপ বুঝে পোশাক কেনার। নয়তো বাসায় থাকা একটা পোশাক এনে সেই মাপে নতুন পোশাক কেনার। তবু যদি কোনো পোশাক পরে দেখার (ট্রায়াল) প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে যেটি কিনতে চান, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সেটি পরে দেখতে পারেন। অনেক দোকান নিরাপত্তার কথা ভেবে এখন ট্রায়াল বন্ধ রেখেছে।

  • মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে লোকসমাগম এড়িয়ে সারিবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্যবসায়ীদেরও জানতে হবে

  • ব্যবসায়ীদের উচিত, যাঁরা কেনাকাটা করতে আসবেন, তাঁদের নিরাপত্তার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার, জীবাণুমুক্ত টানেল, জুতা জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখা। শরীরের তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা রাখা এবং সেগুলো যথাযথভাবে সবাই ব্যবহার করছেন কি না ও সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কি না, সজাগ দৃষ্টি রাখা।

  • একজন ক্রেতা ট্রলি ব্যবহার করলে সেটি আবার জীবাণুমুক্ত করতে হবে। অর্থ পরিশোধের বুথ যদি কম থাকে, ব্যক্তিস্বার্থে বেশি সংখ্যক বুথের ব্যবস্থা করা ভালো। এতে লোকজনের ভিড় কমবে এবং সময়ও সাশ্রয় হবে।

  • দোকানের বিক্রয়কর্মীদেরও মাস্ক, গ্লাভসের মতো সুরক্ষাসামগ্রী পরে বেচাকেনা করা উচিত। ক্রেতাদের খুব কাছে না গিয়ে কিছুটা দূরত্ব মেনে দাঁড়াতে হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন