মনের বাক্স
মনের বাক্স

তোকে ভালোবাসি

দুষ্টুমি আর ঝগড়ার আড়ালে লুকিয়েছিল আমাদের ভালোবাসা। কিন্তু সেদিন জাফলংয়ে অনেকটা সময় তোর হাত ধরে হাঁটা, একসঙ্গে কাটানো সময়ের পর বুঝতে পারি কতটা ভালোবাসি তোকে। ভালোবাসা কোনো দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আমৃত্যু তোকে ভালোবেসে, তোর পাশে থাকতে চাই। ভালোবাসি...। তোকে অনেক বেশি ভালোবাসি।

রূপক, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ

লেখাটা বেস্টিকে নিয়ে

তোকে নিয়ে কিছু একটা লেখার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু ভেবে রেখেছিলাম প্রথম লেখাটা একটু বিশেষভাবেই লিখব। তাই তোকে নিয়ে আমার একটাও স্টোরি দেইনি ফেসবুকে। তুই তো জানিস যে তুই আমার ‘বেস্টি’। তিন বছর ধরে আমি তোর বেস্ট ফ্রেন্ড হওয়ার চেষ্টা করেছি। অবশেষে তা পেরেছি। আমার গার্লফ্রেন্ডের দরকার ছিল না, কিন্তু তোর মতো একটা বেস্ট ফ্রেন্ডের দরকার ছিল। আমি তা পেয়েছি। আমার আর কিছু লাগবে না। তোকে সব সময়ই নিজের বোনের মতো ভালোবেসেছি। তোর সঙ্গে গল্প করলে যেমন গল্প শেষ হয় না, তেমনি লিখতে বসলে লেখা শেষ হবে না। দোয়া করি, যেন তোর ব্যাংকার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়। তুই পৃথিবীর যেখানেই থাকিস না কেন, এই গাধাটাকে ভুলিস না।

নাফিসুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বিজ্ঞাপন

তোমার নিখোঁজ ভালোবাসা

তোমার সঙ্গে আমার পরিচয় ২০১৭ সালের কোনো এক বর্ষণমুখর সকালে। তুমি আমার কাছে ফিন্যান্স নোট খাতা নিতে এসেছিলে। তোমাকে বেণি করা লম্বা চুল ও চিকন ফ্রেমের চশমাতে অনন্য রূপবতী লাগছিল। এরপর তুমি প্রায়ই আসতে নোট নিতে। একবার নোট নিয়ে বললে, এটা আর পাবা না। জিজ্ঞাসা করলাম, কেন? তুমি বলেছিলে, এটা আমার কাছে তোমার স্মৃতি।

আমাদের ভালোই কথা হতো মেসেজের মাধ্যমে। আমি এখনো তোমার মেসেজের অপেক্ষায় থাকি। আচ্ছা তুমি যে বলেছিলে, আমি যেখানেই থাকি না কেন, তুমি আমাকে তোমার সময়মতো খুঁজে বের করবে। আজ চার বছর ধরে আমি তোমার মনপাড়া থেকে নিখোঁজ। আমাকে খোঁজার কি এখনো সময় হয়নি?

মনিরুল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

অটো পাস শিক্ষার্থী বলছি

নতুন একটা ধারা চালু হয়েছে। কেউ যদি বাইরে বের হয়ে অটোরিকশাকে অটো বলে ডাক দেয়, তাহলে নাকি কিছু ছেলেমেয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। একজন সদ্য এইচএসসি পাস শিক্ষার্থী হিসেবে এর চেয়ে অসম্মানের আর কী হতে পারে। কেউ যখন এটা বলে আগে খুব খারাপ লাগলেও, এখন আর লাগে না। অভ্যাস হয়ে গেছে।

আমি ছোটবেলা থেকে মোটামুটি ভালো ছাত্র ছিলাম। পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছি। তাই এবার কলেজে ওঠার পর আমার সংকল্পই ছিল, আগের ফলাফল অক্ষুণ্ণ রাখা। তাই কলেজে পদার্পণের শুরু থেকেই মন দিয়ে পড়াশোনা শুরু করি। এভাবে যখন প্রস্তুতি একেবারে শেষ পর্যায়ে, পরীক্ষার তারিখের সপ্তাহখানেক আগে স্থগিত ঘোষণা করে দেওয়া হয় পরীক্ষা। এত দিনের এত লম্বা সময় ধরে পড়ার স্বীকৃতি পাই আমরা অটো প্রমোশনের মাধ্যমে।

লকডাউনের সময়ও পড়াশোনা করেছি এই আশায় যে পরীক্ষা হলে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। তারপরও যেটা হয়েছে সেটা সরকারি সিদ্ধান্তে। কিন্তু আমাদের নিয়ে যারা পরিহাস করছে, তারা কি ঠিক করছে? বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দেয়নি এখনো। এই অনিশ্চয়তাকে সঙ্গী করে চলতে আর ভালো লাগছে না। সবার কাছে একটাই চাওয়া, আমাদের ২০২০ ব্যাচের জন্য দোয়া করবেন। আমরা নিজেকে প্রমাণ করে তাচ্ছিল্যের জবাব দেব।

ইনশিয়াক আহমেদ, সাতক্ষীরা

লেখা পাঠানোর ঠিকানা

অধুনা, প্রথম আলো, প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০–২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: adhuna@prothomalo.com, ফেসবুক: facebook.com/adhuna.PA খামের ওপর ও ই-মেইলের subject–এ লিখুন ‘মনের বাক্স’

বিজ্ঞাপন
প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন