default-image

প্রথম আলোর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সঙ্গে একাত্ম হতে পেরে আমি গর্বিত। এক যুগের কাছাকাছি সময় ধরে আমি পত্রিকাটির বিভিন্ন ক্রোড়পত্র অধুনা, নকশা ও স্বাস্থ্য কলামে সাধ্যমতো লিখছি। যার মাধ্যমে আমি পাঠকদের পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো ও তাঁদের পুষ্টি সমস্যা সমাধান করতে চেষ্টা করছি।

বিশেষ করে অধুনায় পাঠকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কারণ, পুষ্টি সমস্যার সামান্য কিছু পরিবর্তন ও সমাধান চেয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাঠকের প্রশ্ন আসে আমার কাছে। এসব প্রশ্ন আমাকে সত্যিই সীমাহীন অনুপ্রেরণা জোগায়। বিশেষ করে পাঠকদের উত্তর দেওয়ার পর যখন তাঁদের ওই অবস্থার উন্নতি হয়েছে জানিয়ে আমাকে অনেকেই ফোন করেন, তখন মনে হয় প্রথম আলো সত্যিই এভাবে পাঠকদের বিশ্বাস আর আস্থার জায়গা।

একই সঙ্গে পুষ্টির গুরুত্বকে সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অগ্রগণ্য ও অপরিহার্যতার মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরতে আমাকে তাদের সঙ্গে যুক্ত করায় পত্রিকার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। জানি না আমার উত্তরে সবার উপকার হয়েছে কি না, তবে যাঁদের জন্য এই মহতী কার্যক্রম, তাঁদের সামান্য কিছু পরিবর্তনেই আমার সার্থকতা।

প্রথমআলোর সুদীর্ঘ পথচলা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি পুষ্টিসেবার এই কার্যক্রম আরও দীর্ঘ হোক—এমনই আশা করি।

শামসুন্নাহার নাহিদ: প্রধান পুষ্টিবিদ ও বিভাগীয় প্রধান, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0