বিজ্ঞাপন

ফলাহারে আমিষ?

ফল আর সবজি তো সালাদে থাকেই। কিন্তু ফল খেয়ে থাকতে চাইলেও তো সঙ্গে চাই পর্যাপ্ত আমিষ। আমিষের অভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। ডিমসেদ্ধ কিংবা মুরগির মাংসসেদ্ধ মিশিয়ে নিন সালাদে। সয়া বল বা সয়া নাগেটও যোগ করা যেতে পারে।

শর্করা চাই অবশ্যই

অতিরিক্ত শর্করাজাতীয় খাবার গ্রহণ করতে মানা। কিন্তু একেবারে শর্করা ছেড়েও থাকা উচিত নয়। মিষ্টি ফলে শর্করা রয়েছে, সালাদে মিষ্টি ফল যোগ করতে পারেন। তবে কেবল ফল থেকেই শর্করা গ্রহণ করতে চাইলে পরিমাণটাও যেন পর্যাপ্ত হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন অবশ্যই। ‘ভেতো বাঙালি’ হয়ে খাবারের মূল অংশটা ভাত থেকে গ্রহণ না করলেও প্রয়োজনীয় ন্যূনতম পরিমাণটুকু অবশ্যই হিসাব করে নিন আপনার জন্য হিসাব করা ক্যালরির পরিমাণ অনুযায়ী।

বাহারি সালাদ

আমিষের মূল উপাদান যে অ্যামিনো অ্যাসিড, সেই অ্যামিনো অ্যাসিডের আছে নানা ধরন। মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড পাওয়া যায় প্রাণিজ উপাদান থেকে, কিন্তু যেকোনো একটি উদ্ভিজ্জ উপাদান থেকে পাওয়া যায় না পুরোপুরিভাবে। তাই রাজমা, বুট, মটরশুঁটি এ–জাতীয় অন্যান্য সবজির মিশ্রণ শরীরের জন্য ভালো, তাতে হরেক রকম অ্যামিনো অ্যাসিডের দেখা মেলে একই মিশ্রণে।

তেল আর দই-পনির

শুধুই সালাদ খেয়ে দিন যাপন করতে চাইলে সালাদ ড্রেসিং তৈরি করুন তেল দিয়ে। শরীরের প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড মিলবে তেলে। শর্ষের তেল, জলপাই তেল বা অন্য কিছু—বেছে নিন যেমনটা খুশি। এ ছাড়া সালাদে দই, টক দই বা পনির যোগ করতে পারেন। প্রাণিজ আমিষের উৎস যোগ হয়ে গেল সালাদেই।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন