মনের বাক্স
মনের বাক্স

ভালো থেকো

অনেক দিন তোমার সঙ্গে কথা হয় না। মনে হচ্ছে কয়েক কোটি বছর তোমাকে দেখি না। আমাদের ভালোবাসা অপূর্ণ থেকে গেল। তোমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেছিলাম, সবার স্বপ্ন নাকি সত্যি হয় না। আমার একটা ভুলে আমি তোমাকে হারিয়েছি। আমাকে ক্ষমা করে ফিরে এলেও পারতে। হয়তো আমাকে আর বিশ্বাস করে ভরসা রাখতে পারোনি। তারপরও মনে হয়, কীভাবে পারলে অন্য কাউকে কবুল বলতে? মাথা ঠুকলেও হয়তো তোমাকে আর ফিরে পাব না। ৪ এপ্রিল তোমার বিয়ে হয়ে গেছে। আমি একটা সেকেন্ডও তোমাকে ভুলতে পারিনি। কতটা কষ্ট পেয়েছি, বুকটা চিরে দেখাতে পারলে বুঝতে। আমার কোনো অভিযোগ নেই। পারলে ক্ষমা করে দিয়ো। তোমার নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা।

আমিনুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ।

গায়ক হওয়ার স্বপ্নে বাঁচি

ছাত্র হিসেবে ততটা ভালো না আমি। পরীক্ষায় কোনো দিন ফেল না করলেও খুব বেশি নম্বরও পেতাম না। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে গায়ক হব। তাই তো পকেট খরচ বাঁচিয়ে কিনে ফেললাম একটা গিটার। বর্তমানে দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। একে একে লিখে ফেলেছি ১৪টা গান। কিন্তু মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলের স্বপ্ন পূরণে যে কত বাধা, তা এখন বুঝতে পারি। তাই আমার গানগুলো আর আমার স্বপ্নটা আজ মরতে বসেছে। আমি জানি, আমার জীবনের পথচলা হয়তো এখনো অনেকটা বাকি। কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে মনে হচ্ছে হয়তো হবে না। তবে হতাশা থাকলেও স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে চাই। একদিন হয়তো আমার গান গানের পরিচালকের হাতে পড়বে। তিনি যেন আমার দিকে তখন একটু তাকান।

মুতাছিম নাহিয়ান, বরিশাল

ফিরে পেতে ইচ্ছা হয়

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হারিয়ে ফেলেছি শৈশব। বাস্তবতা জীবনে এটাই হয়তো নিয়ম। আহা! কী দিনগুলো ছিল। মা–বাবাকে ফাঁকি দিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে ফুটবল খেলা। কোনোরকম আঘাত পেলে সেই ক্ষতটা ভয়ে লুকিয়ে রাখা। স্কুল ফাঁকি দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া। বাড়ি ফেরার সময় ভয়ে ভয়ে হেঁটে ফিরতাম, যাতে মা বুঝতে না পারে। বৈশাখী ঝড়ের পরে মায়ের বারণ কানে না দিয়ে ছুটে যাওয়া আমবাগানে। এখন বৈশাখ মাস চলছে, বারণ করারও কেউ নেই, তবু আম কুড়ানো হয় না। এসব যেন ঢেকে গেছে ব্যস্ততার ধূসর আলোয়। ফিরে পেতে ইচ্ছা হয়, আবার সেই শৈশবকাল। সেই সোনালি সময়।

মাহমুদ নাঈম, কিশোরগঞ্জ।

তুমি আমার কাছে বিশাল কিছু

তুমি যে আমার কাছে কী, তা জানেন শুধু বিধাতা আর আমি। এ ছাড়া অন্য কেউ না। তুমি সর্বদাই আছ আমার অন্তরজুড়ে। বিভিন্ন সময় গল্পে, আলাপে, উদাহরণে তোমার কথাই বলি, যেখানে সুযোগ পাই। তারই ধারাবাহিকতায় লিখতে গেলেও তোমার কথাই লিখে যাই শুধু। মাঝে মাঝে মনে হয়, তোমায় নিয়ে আমার দু-একটা লেখা ছাপা হোক। অধুনাতে তাই দু-একটা লেখা পাঠাইও। কিন্তু এখনো তার একটা লেখাও ছাপা হয়নি। কেন ছাপায়নি, তা জানা নেই। হয়তো মন দিয়ে লিখতে পারিনি। কিন্তু আমার দৃঢ় অনুমান, লেখাগুলো বড় বলেই হয়তো বাদ পড়ে। কিন্তু তোমাকে নিয়ে কি ছোট করে লেখা সম্ভব? সোহানা, সবাইকে কী করে বোঝাই বলো তুমি তো আমার ছোট কিছু নও। বিশালের থেকেও বিশাল কিছু। সেই তোমাকে নিয়ে আমার লেখা ছোট কী করে হবে?

মুহাম্মাদ সোহাগ, মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা।

হতাশাগ্রস্ত প্রজন্ম

হতাশা তো আশাটাকেই মেরে ফেলে, বেঁচে থাকার ইচ্ছা থাকে না। আমরা অল্পতেই সবকিছুর সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে ফেলি। কোনটা গুরুত্বপূর্ণ আর কোনটা প্রয়োজন, তা জানি না। এর জন্য কোনো কিছু ভালো লাগে না। নিজেকে নিয়ে সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে পারছি না। এমন একটা প্রজন্মের মধ্যে আছি, যেখানে সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের ওপর বিরক্ত। এত ক্ষোভ, মানসিক চাপ, এত মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা কেন চারদিকে? আমি আসলে জানি না।

জোবায়েদ ইসলাম, জামালপুর

বিজ্ঞাপন

লেখা পাঠানোর ঠিকানা

অধুনা, প্রথম আলো, প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০–২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: [email protected], ফেসবুক: facebook.com/adhuna.PA খামের ওপর ও ই-মেইলের subject–এ লিখুন ‘মনের বাক্স’

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন