বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যেভাবে কারুপণ্যের সমাগম ঘটাতে পারেন

default-image

বিয়ের কার্ড, মানে দাওয়াতপত্র দিয়েই শুরু করি। অনেক টাকা দিয়ে দামি কাগজে দাওয়াতপত্র প্রিন্ট না করে, বিকল্প ভাবতে পারেন। এই যেমন হ্যান্ড মেড কাগজ কিনে এনে নিজেরাই বসে বানিয়ে নিতে পারেন দাওয়াতপত্র। সাহায্য নিতে পারেন চারুকলার কোনো বন্ধু বা পরিচিতজনের। পাটের সুতা, লেইস আর শুকনা ফুল-পাতার ব্যবহারে দাওয়াতপত্র হয়ে উঠবে সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিয়ের পোশাকেও থাকতে পারে দেশি ঐতিহ্যের ছোঁয়া। অনেক তরুণ ডিজাইনার ভিন্নধর্মী নকশার পোশাক তৈরি করেন। নিজের ভাবনা তাঁদের সঙ্গে বিনিময় করে বানিয়ে নিতে পারেন বিয়ের শাড়ি, পাঞ্জাবি বা লেহেঙ্গার ডিজাইন। হয়তো কারও লেহেঙ্গা পরার শখ, সেখানে নকশা হিসেবে যদি চার বেহারার পালকি বা দোয়েল পাখির কারুকাজ থাকে, সেটার আবেদন হবে আলাদা।

ছোট পরিসরের বিয়ে হলে অতিথিদের জন্য ছোট্ট শুভেচ্ছা উপহার রাখতে পারেন। সেখানে থাকতে পারে হাতে তৈরি সাবান, শ্যাম্পুর বক্স, সুগন্ধি, মোম, ফুল, বিশেষভাবে তৈরি চাবির রিং, কাঠের ফ্রেমের রোদচশমা, বিস্কুট, বাদামের কৌটা ইত্যাদি দিয়ে সাজানো বাক্স বা ব্যাগ। যে ব্যাগ বা বাক্সে উপহার দেওয়া হবে, সেটাও হতে পারে নান্দনিক।

যেখানে বিয়ের আয়োজন হবে, সেই জায়গাটুকু করে তুলতে পারেন দেশি কারুপণ্যের মিলনমেলা। নকশিকাঁথা, প্যাচওয়ার্কের কাপড়, রঙিন শিফন, কুশন, ডিভান, তাজা ফুল, চৌকি, বেঞ্চ, শীতলপাটি ইত্যাদির ব্যবহার হতে পারে মঞ্চে।

সব মিলিয়ে বিয়ের আয়োজন হোক পরিপূর্ণ এক দেশি আবহে। প্রাণ ফিরে আসুক কারুপণ্যের শিল্পে।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন