পাঠকের লেখা

মনের বাক্স

এই বিভাগে পাঠক তাঁর মনের কথা লিখে পাঠাতে পারেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

জানি না, হবে কি না

জানি না কী হবে আমার। এই জীবনে কিছু করতে পারব কি না। পড়তে বসলে পড়ায় মন বসে না। খালি অন্য চিন্তা আসে যে কেন বুঝতে পারি না। আচ্ছা আমার একটা প্রশ্ন, পড়াশোনাই কি জীবনের সবকিছু? জীবনে কি আর অন্য কিছু নেই? উত্তর খোঁজার চেষ্টা অনেক করেছি, পাইনি। আমার বয়স ১৯ বছর। অনেক কিছু করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি। অবশেষে বুঝতে পেরেছি যে পড়াশোনা ছাড়া গতি নেই। আমি কিন্তু এখনো হাল ছাড়িনি, ছাড়বও না। কিছু একটা করে প্রমাণ করব যে সিলেবাসের পড়ার বাইরেও একটা জগৎ আছে।

জেএসসিতে জিপিএ–৫ পেয়ে নবম শ্রেণিতে প্রবেশ করলাম। ভালো ছাত্র, তাই বিজ্ঞান বিভাগে পড়া। এই সময়ে খুব আনন্দে কাটত দিনকাল। নতুন ক্লাস, স্টাইল করে চুল ছাঁটা, আড্ডা, পড়াশোনা সবটাই সমানে চালিয়ে যাচ্ছিলাম। নবম শ্রেণিতে বিষয় নির্বাচনের সময় বুয়েটে পড়ার ইচ্ছার কারণে উচ্চতর গণিতকে মূল বিষয় করে জীববিজ্ঞান করলাম অপশনাল (ঐচ্ছিক বিষয়)। কিন্তু প্রথম সাময়িক পরীক্ষাতেই খেলাম ধাক্কা। উচ্চতর গণিতে অকৃতকার্য হলাম! বাড়ির সবার মন খারাপ। প্রাইভেট শিক্ষক রাখা হলো। পড়াশোনার সময় বাড়ালাম নিজেও। কিন্তু পরের পরীক্ষাতেও ফেল! তারপর একটা জেদ নিয়ে উচ্চতর গণিতে একটু বেশি সময় দিলাম। ফলাফলও মিলল। বার্ষিক পরীক্ষায় পাস করে গেলাম। এসএসসি পরীক্ষার মাস ছয়েক আগে একটা মেয়েকে ভালো লাগতে শুরু হলো, কিন্তু এ বিষয়েও অকৃতকার্য হলাম। পড়াশোনার গতি কমল। প্রভাব পড়ল এসএসসির ফলাফলে। এ প্লাস পেলাম না। বুঝলাম জীবনের আসল কষ্ট।

ভর্তি হলাম সেতাবগঞ্জ সরকারি কলেজে। মনপ্রাণ দিয়ে পড়ালেখা শুরু করলাম। প্রতিজ্ঞা করছিলাম যে যেমন করেই হোক একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকতেই হবে। এ ছাড়া চারদিক থেকে চাপ দিতে শুরু করল আমার পড়াশোনার জন্য। মন খারাপ হয়ে যেতে লাগল। মনে হলো পড়াশোনাই কি জীবনের সব! ভাবলাম যেভাবেই হোক প্রমাণ করব, সিলেবাসের পড়ার বাইরেও অনেক কিছু করার আছে। এরই মধ্যে দেশে এল বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনাভাইরাস।

স্কুল–কলেজ সব বন্ধ, এটাই হয়তো আসল সময় স্বপ্ন পূরণের। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। স্বপ্ন পূরণ হবে কি না জানি না। তবে আমি চেষ্টা চালিয়ে যাব।

রুপক হোসাইন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তোমাদের শুভেচ্ছা

আমার জন্য মনের বাক্সে কেউ কোনো দিন লেখেনি। আর কোনো দিন হয়তো লিখবেও না। তারপরও কেন জানি অধুনার এই বিভাগটা সবার আগে আমাকে টানে। খুব ভালো লাগে মানুষের মনের কথা পড়তে। আমার কোনো বিশেষ মানুষকে নিয়ে লেখার নেই। এমনকি আমার মা–বাবাকে নিয়েও না। তাই আজ আমি তাদের নিয়েই লিখছি, যারা আমার মতো মনের বাক্সের নিয়মিত পাঠক ও লেখক।

তোমাদের আমার পক্ষ থেকে ভালোবাসা। বুধবারের সময়টা ভালো কাটানোর জন্য।

তরুলতা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পিছলে পড়তে দেব না তোমায়

গ্রামের কাদাভরা রাস্তায় শহুরে কোনো এক মিষ্টি মেয়ের হাঁটতে যে কত কষ্ট পেতে হয়, তা তোমার পিছলে পড়ে যাওয়া না দেখলে হয়তো বুঝতেই পারতাম না। যদিও ওই পিছলে পড়ার পর, তোমার লাজুক চাহনিটাই আমার সেরিব্রামের কাজ বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছিল।

জানো, তখন কল্পনাও করতে পারিনি এই সুন্দরী মেয়েটা কখনো আমাকে এত গভীরভাবে ভালোবাসবে। আমাদের একসঙ্গে পথ চলার পাঁচ বছর হয়ে গেল, তবু বিশ্বাস করতে পারি না তুমি শুধু আমার। এখন শুধু একটা কথাই তোমাকে বলতে চাই, জীবনের কাদাভরা রাস্তায় তোমাকে কখনোই পিছলে পড়তে দেব না।

তোমার সুজুকা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রেমে পড়া বারণ

তোমায় আমি ফুচকা বলেই ডাকি। কারণ, ওটা তোমার খুব প্রিয়। মাঝেমধ্যে তুমি রাগলে অবশ্য অন্য নামে ডাকি, সেটাও ভালোবাসা থেকে। ভালো লাগে তোমার এই রাগ, হাসি ও ফুঁপিয়ে কান্না। সবচেয়ে ভালো লাগে তোমার লাল ঠোঁটের ওপরের তিলটা। তবে তুমি আমাকে যে নাম দিয়েছিলে, অন্যরা শুনলে ছি ছি বলতে পারে। তবে আমার কিন্তু তোমার মুখে ওই নামটা শুনতে ভালোই লাগে। তোমার মুখে নামটা আমি সারা জীবন শুনতে চাই।

ভয় হয় তোমায় আমি পাব কি না। আমি হাজার বার আমার মনের কথা বলতে চেয়েছি, কিন্তু আমাদের পরিস্থিতিটাই এমন যে প্রেমে পড়াটাই বারণ। আমি সব সময় তোমাকে নিজের কাছে বেঁধে চাই, কিন্তু সময় সর্বক্ষণ সবার সঙ্গে থাকে না।

অনিক, ভোলা।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লেখা পাঠানোর ঠিকানা

অধুনা, প্রথম আলো, প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০–২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: adhuna@prothomalo.com,

ফেসবুক: facebook.com/adhuna.PA

খামের ওপর ও ই-মেইলের subject–এ লিখুন ‘মনের বাক্স’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন