default-image

বন্ধুত্বের নাম তারু

প্রিয় রু,

আমার আর তোর নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে তুই আমাদের বন্ধুত্বের নাম রেখেছিলি তারু। তাই সেটাকেই শিরোনাম করলাম। করোনাকালে তোকে খুব মিস করছি। এই বছরটাই স্কুলের শেষ বছর। জানি না সব ঠিক হবে কী না! বদলে গেছিস তুই। আমার এভাবে ভালো লাগে না রে। যদিও সব নতুনভাবে স্বাভাবিক, তবুও মনে হয়, সব ঠিক নেই। আমি আমার সেই ছোট্ট জোনাকিকে খুব মিস করি। যে আমার মন খারাপের অন্ধকারে আলো হয়ে আসত।

তোকে আর কতভাবে বোঝাব, তুই আমার কাছে কতটা?আচ্ছা, স্কুল শেষ হলে কি তোর আমার জন্য কষ্ট হবে?জানিস তোর দেওয়া ডাকনামটা খুব মিস করি। একবার ডাকবি সেই নাম ধরে?

ইতি

তোর ‘অযোগ্য’ বেস্ট ফ্রেন্ড।

বিজ্ঞাপন

অতীত ভোলাতে গিয়ে

সুপ্রিয় নী,

কোনো এক ভ্রমের জন্য তোমার অতীত ছিল বিষাদে ঢাকা। সব জেনেই আমি তোমার কাছে গিয়ে তোমার হাত ধরেছিলাম। ভেবেছিলাম, আমার সবটুকু ভালোবাসা দিয়ে তোমার বিষাদময় তিক্ত অতীত ভুলিয়ে দেব। কিন্তু তা আর পারলাম কোথায়?

তুমি আজ আমাকেও অতীতের পাতায় জায়গা দিয়েছ। ইট-পাথরের এই শহরের চোখ ফাঁকি দিয়ে আঙুলে আঙুল রেখে পথচলা তুমি নিমিষেই ভুলে গেছ আমাকে।

তবুও তোমার অপেক্ষায় রইলাম।

হাসান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

বিজ্ঞাপন

ট্রেন জার্নি

তোমার মনে আছে? যেদিন বিকেলে দেখা দাঁড়কাক ক্লান্ত বেশে ঘরে ফিরেছিল সন্ধ্যা নামার আগে, যেদিন প্রজাপতির পাখার রঙে নেমেছিল রাত্রি, সেদিন আমরা মুখোমুখি বসে ছিলাম। আমরা ছিলাম একই ট্রেনের একে অপরের নাম না জানা দুই যাত্রী। আমি চেয়েছিলাম, থমকে যাক সেই সময়। কিন্তু ছুটে চলা ট্রেন কী আর আমার না বলা কথা শুনবে!

প্রায় তিন ঘণ্টার যাত্রা। এর মধ্যে তোমার দিকে খুব একটা তাকিয়েছিলাম বলে মনে পড়ে না। কিন্তু তোমার টি–শার্টটার কথা খুব করে মনে আছে। অনেক বড় করে তোমার নামটি লেখা ছিল সেখানে। ভাগ্যিস সেদিন ওই টি-শার্ট পরেছিলে। না হলে তো তোমাকে কখনো খুঁজেই পেতাম না।

তোমার আগের স্টেশনে আমাকে নেমে যেত হলো। নেমে যাবার পর তোমার দিকে পেছন ফিরে আমি আবার তাকিয়েছিলাম। অতঃপর তোমাকে খুঁজে পেলাম নীল–সাদার ফেসবুক জগতে। তোমাকে জানার পর তোমার ব্যক্তিত্বের প্রেমে পড়ে গেলাম। খুব কম মানুষই তোমার মতো সুন্দর মনের অধিকারী হয়। আমি আজীবন তোমার রোগী হয়ে থাকতে পারি, যদি একবার তোমার কণ্ঠে শুনতে পাই, ভালোবাসি।

অপরিচিতা, গাইবান্ধা।

বিজ্ঞাপন

জলরঙে আঁকা তোমার ছবি

খুব রেগে আছ, তাই না? রাগলে তোমাকে কিন্তু খুব একটা ভালো দেখায় না। চার মাসের বেশি হলো তোমার সঙ্গে কথা হয় না, অথচ তুমি চাইলেই ছোট্ট একটা টেক্সট করতে পার। আমি খুদে বার্তা দেই, তবে তুমি যে আমাকে কালো তালিকায় ফেলেছ।

তুমি জানো কী, আমি প্রতিদিন সন্ধ্যা নামলে যমুনা পাড়ে দাঁড়িয়ে নির্লিপ্ত দৃষ্টিতে যমুনার অববাহিকায় তোমার সুন্দর একটা প্রতীকী ছবি এঁকে নিই। তারপর সেই ছবিতে রংধনু থেকে বর্ণিল রং নিয়ে রাঙাই। এরপর সন্ধ্যার অবসান হলে আমাদের সেই চিরচেনা পথ ধরে ঘরে ফিরি।

কদিন আগেই হোস্টেলে ফিরলাম, ইচ্ছে করছে যমুনার সন্ধ্যার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলি। তুমি কি আর ফিরবে না?দেখবে না সেই আঁকা ছবি?

আবদুল্লাহ আল আহনাফ, সিরাজগঞ্জ।

বিজ্ঞাপন

নিজেই নিজেকে চালান

আজ কেউ একজন আপনাকে অপমান করল বা খারাপ কিছু কথা শোনাল, আঘাত করল, ঘৃণা করল, তাই বলে কিন্তু জীবন থেমে গেল না। জীবনটা জিতে নেওয়ার বা হেরে যাওয়ার জন্য না। জীবন আসলে অতিক্রম করার জন্য। সেটা আপনি কীভাবে অতিক্রম করবেন, তা অন্য কেউ অন্তত নিয়ন্ত্রণ না করল।

জেরিন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

লেখা পাঠানোর ঠিকানা

অধুনা, প্রথম আলো, প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০–২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: adhuna@prothomalo.com, ফেসবুক: facebook.com/adhuna.PA খামের ওপর ও ই-মেইলের subject–এ লিখুন ‘মনের বাক্স’

মন্তব্য পড়ুন 0