বিজ্ঞাপন

শুভ্র কাশফুলের তীরে যাবে...

প্রিয় নিলুমা,

তোমায় দেখছি সেই কবে থেকে। এখনো তুমি প্রতিদিনই নতুন। সামনে থেকে তোমার চোখের মুক্তোদানায় আমার বুক ভেজাতে পারিনি এই কোভিড-১৯–এর কালে।

কয়েকটা শরৎ একসঙ্গে কাটালেও এবারেরটা শুধুই বিষাদময়। না পারছি তোমায় দেখতে, না তোমার কপোলে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টির জল ছুঁইয়ে বলতে পারছি, ভালোবাসি। কৃত্রিমতাই বাহক। তুমি চাইলে মধুমতির তীরে শরতের রানি কাশকে একপলক দেখবে। কিন্তু পারলাম না তোমার হাত দুটি ধরে বিকেলের ক্লান্ত সুয্যিমামার সামনে তোমায় শুভ্রতার সেই স্বাদ দিতে। তবুও তো ভালোবাসি। পয়লা নভেম্বর তোমার জন্মদিন, সেদিন আমি পারব না তোমার হাতে হাত রাখতে। এখানের সময় যে বড্ড খারাপ নিলুমা।

শুভ জন্মদিন আমার ভালো থাকার এলোকেশী। চলো না এই শুভ দিনে কল্পনায় ঘুরে আসি কোনো এক সাদা কাশফুলের জগৎ থেকে। তোমার পরনে থাকবে হলুদ শাড়ি আর খোঁপায় সাদা ফুলের গাজরা।

অনুপ, গোপালগঞ্জ।

প্রিয় নানা ভাই

জীবনের প্রথম চা বানিয়ে যে মানুষটাকে খাইয়ে ছিলাম, সে আর কেউ নয়, তুমি। পৃথিবীর সবার কাছে নানাবাড়ি মধুর হাঁড়ি হলেও আমার কাছে ছিল চিনির মতো। কারণ, যেটুকু ভালোবাসা পেয়েছি, সবটাই তোমার কাছে। নানা ভাই, তোমার সেই ঘড়ি, তাসবি, কোরআন, মাছ ধরার জাল—সবই আছে, শুধু নেই তুমি। খেতে বসলে এখন আর কেউ বলে না, মেহেমানেরা লজ্জা পেয়ো না। নিয়ে-টিয়ে খাও। আমারও আর বলা হয় না, আমরা লজ্জাহীন মেহমান, লজ্জা পাই না।

জানি না তুমি কোথায় আছ, কেমন আছ? শুধু এটুকুই চাওয়া, তুমি যেখানে থাকো, ভালো থেকো।

রাসিমা তারান্নুম, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন