মনের বাক্স
মনের বাক্স

স্কুলে ফিরতে মন চায়

জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তগুলো কাটে স্কুলে। লাইন ধরে পছন্দের বেঞ্চে বসার প্রতিযোগিতা, ক্লাসের মধ্যে শিক্ষকের চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘নাম-দেশ-ফুল-ফল’ খেলা, টিফিনে ঝালমুড়ি মামার কাছে বেশি ঝাল চেয়ে কেঁদে ফেলার মধ্যেও ছিল আনন্দ। এখন আর আসে না জীবনের সেই ছোট ছোট খুশি। আজও মন বলে, যদি ফিরে যেতে পারতাম সেই স্কুল নামের প্রতিষ্ঠানে।

স্নেহা সালসাবিল

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা।

বিজ্ঞাপন

পরিচয়টা বুঝি না হলেই ভালো হতো

তোমার সঙ্গে পরিচয়টা হয়তো বন্ধুত্ব পর্যন্ত থাকলেই ভালো হতো। শুধু শুধু একে অপরকে দুঃখ দেওয়ার জন্যই মনে হয় আমরা এত কাছে এসেছিলাম। তুমি বলেছিলে, যদি প্রেমিক হতে না পারি তবে যেন বন্ধুর মতো থাকি। কিন্তু এই কথা বলার সময় তুমি প্রচণ্ড বিষণ্ন ছিলে। অতঃপর সময়ের বিবর্তনে আমাদের পরিচয় বন্ধুত্ব থেকে প্রেমে রূপ নেয়। তখন আমরা ভুলে গিয়েছিলাম ‘প্রেমের স্বার্থকতাই হলো ব্যর্থতা’। হয়তোবা সেদিন প্রকৃতিও চেয়েছিল আমাদের প্রেম স্বার্থক হোক। অতঃপর প্রেমের ৮ মাস পর আমরা আবদ্ধ হয়েছিলাম বিয়ে নামক এক পবিত্র বন্ধনে।

জানো, তোমার কথা বলা, খুনসুটি, রান্না করা আর এর মধ্যে সংসারজীবনের তিনটি বছর দারুণ কেটেছে। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগত যখন তোমার হাতে মাথা রেখে নিদ্রা যেতাম। অতঃপর আমাদের মধ্যে বিভিন্নভাবে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। আমার ভুলগুলো অনেক বেশি ছিল, কিন্তু তুমি ছিলে অনেক অবুঝ।

আজ এক বছর কেটে গেছে তুমি কাছে নেই। কখনো এসব হবে, তা কল্পনাও করিনি। প্রত্যাশা, তুমি ভালো থেকো। জানি না তুমি আমার লেখাটা পড়বে কি না। তবু বলব, আই লাভ ইউ।

মুক্তি রেজা সরকার

নীলফামারী।

ক্ষমা করবেন মামা

একবার আপনার ওপর রাগ করে আপনাদের বাড়ি থেকে পালিয়েছিলাম। আপনারা নাকি সারা রাত আমাকে খুঁজে বেরিয়েছিলেন। সবার চোখে–মুখে ছিল ভয় আর কান্না। আমি অবশ্য সেসব ভাবিনি। রাগ হয়েছে, চলে এসেছি। তবে এখন বুঝি, এত বছর পর সবাই একসঙ্গে হওয়ার মজাই ছিল আলাদা। কিন্তু আমি সেই মজার গুড়ে লবণ ঢেলে দিয়েছিলাম পালিয়ে। আপনি নাকি খুব টেনশনে ছিলেন। আমি আপনাকে এই টেনশনে রাখার জন্য সরি। মাফ করবেন মেজ মামা।

সোহেল

কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ।

বিজ্ঞাপন

আমি তোমায় ভালোবাসি

প্রিয়, জানি না কীভাবে শুরু করব। কারণ, আপনার প্রতি আমার যে অনুভূতিগুলো, তা কোনো ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আপনার সঙ্গে আমার পরিচয় আকস্মিকভাবে। পরিচয়ের পর থেকে প্রতিদিনই আমরা কথা বলতাম। চারটি শব্দের একটা সম্পর্ক তৈরি হলো আমাদের মধ্যে। ভালোই কেটে যাচ্ছিল। কিন্তু একদিন হঠাৎ করে বললেন আপনার মাকে ওয়াদা করার কথাটা; এটাও বললেন, আমি যেন আর আপনার সঙ্গে কথা না বলি। যদি আমাকে এভাবে ভুলে চলে যাবেন, তবে ভালোবাসা হয়ে কেন এসেছিলেন? আমি তো আপনাকে আঁকড়ে ধরে আমার স্বপ্নগুলো সত্যি করতে চেয়েছিলাম। হয়তোবা ভুলগুলো আমারই ছিল।

শুকিয়ে যাওয়া পাতাগুলো তো পায়ের চিহ্ন রেখে দেয়। কিন্তু বেঁচে থাকা মানুষগুলো কেন হৃদয়ের চিহ্ন মুছে দেয়? আজও আছে সে পথ, আজও আছি আমি, শুধু নেই আপনি। আপনি নেই তো কী! ভালোবাসা তো কখনো ফুরায় না, প্রেম কভু হারায় না। অনুভবে থেকে যায়। ৬ নভেম্বর আপনার জন্মদিন ছিল। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা। আপনি যাতে জীবনে অনেক বড় মানুষ হতে পারেন। আপনার মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন। আপনার কাছে একটাই চাওয়া, ভুলবেন না কখনো কোনো দিন আমাকে।

এক অভাগী

দৌলতপুর, খুলনা।

মনের বাক্সে লেখা পাঠানোর ঠিকানা

অধুনা, প্রথম আলো, প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০–২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: adhuna@prothomalo.com

ফেসবুক: facebook.com/adhuna.PA

খামের ওপর ও ই-মেইলের subject–এ লিখুন ‘মনের বাক্স’

মন্তব্য পড়ুন 0