বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভালোবাসায় জড়ানো সময়

পোষা প্রাণীর দৈনন্দিন দেখভাল তিনিই করতে পারেন, যিনি তাদের ভালোবাসেন। পোষা প্রাণীদের আদর-স্নেহে রেখে দারুণ সময় কাটানো যায়। যাঁরা সেই কাজটি করেন সেই ব্যক্তিমাত্রই জানেন, মন ভালো রাখতে এটা দারুণ ভালো এক টনিক।

default-image

করোনা মহামারির দুঃসময়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে ফেরার পর বাসায় থাকা বিড়ালছানাগুলোর সঙ্গে আমার নিজেরই দারুণ সময় কেটেছে। সেই সময়ে মনের ওপর যে চাপ পড়েছে, তা হয়তো পোষা প্রাণীদের সঙ্গে হাসিখুশি সময় কাটানোর কারণেই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছিল। কর্মক্ষেত্র-সংসার-সন্তান নানান বিষয় নিয়েই জীবনে আসতে পারে নেতিবাচকতা। কিন্তু বাড়িতে থাকা পোষ্যর সঙ্গে খানিক সময় কাটালে জীবনের ইতিবাচকতাটুকু হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না। নিঃসঙ্গ মানুষেরও ব্যস্ত থাকার একটি ভালো উপায় বাসায় পোষ্য রাখা। এই তো ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নায়িকা পূজা চেরির পোষা বিড়াল অরিও মারা গেল। লাইভে এসে ভক্তদের সেই দুঃখের খবর দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এই অভিনেত্রী। এই দুঃখ প্রিয়জন হারানোর চেয়ে কম কী!

হিউম্যান–অ্যানিমেল বন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি জরিপ বলছে, পশুপাখি পালেন এমন ৭৪ শতাংশ মানুষ মনে করেন তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিশেষ ভুমিকা রাখে পোষা প্রাণী। সাইকিয়াট্রিক রিসার্চ জার্নালের তথ্যেও উঠে এসেছে একই ধরনের তথ্য। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ‘মানসিকভাবে বিপর্যস্ত একজন মানুষকে ভালো রাখতে পারেন পোষা প্রাণীরা।

নতুন সদস্য আনার আগে

নতুন সদস্যের বিষয়ে পরিবারের সবাইকে রাজি করিয়ে নিন। যে প্রাণীকে আপনি পছন্দ করেন এবং যার যত্নআত্তি করতে আপনি সক্ষম, তাকেই নিয়ে আসুন। তবে পরিবারের কারও প্রাণীর লোমে অ্যালার্জি থাকলে প্রাণী পালনের ইচ্ছেটা হয়তো অপূর্ণই রাখতে হবে।

default-image

তবে মনে রাখবেন, হাঁপানি বা অন্য ধরনের অ্যালার্জি থাকলেই যে সেই ব্যক্তির প্রাণীর লোমে অ্যালার্জি থাকবে, তা কিন্তু নয়। আর অনেক বাড়িতেই গর্ভবতী মা, নবজাতক আর পোষা প্রাণী সহাবস্থান করে নিরাপদে। তাই প্রাণীকে গ্রহণ করুন ইতিবাচকতার সঙ্গে।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন