default-image
বিজ্ঞাপন

‘মুঠোফোন বন্ধ রাখুন’ কিংবা ‘মোবাইল ফোন সাইলেন্ট করুন’—এমন নির্দেশনা প্রায়ই চোখে পড়ে। মুঠোফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনাগুলো মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ। তবে দ্বিধায় পড়তে হয়, যখন কোনো নির্দেশনা থাকে না। এমন অবস্থায় ব্যবহার করতে হবে নিজের উপস্থিত বুদ্ধি। জায়গা, পরিবেশ ও পরিস্থিতি বুঝে তখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ফোনটি বন্ধ রাখবেন নাকি কেবল নীরব করে রাখলেই চলবে।

  • অফিসের ছোটখাটো কিংবা গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো সভায় সশব্দে ফোন বেজে ওঠা বেশ বিব্রতকর। তাই সভা শুরুর আগেই ফোন নীরব (সাইলেন্ট) করে নেওয়া ভালো। তবে সভায় যদি আপনাকে উপস্থাপনা দেখাতে হয় কিংবা আপনিই মূল বক্তা হয়ে থাকেন, তাহলে ফোন বন্ধ রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

  • ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রবেশের আগেই ফোন বন্ধ রাখা উচিত। কেননা, উপাসনার ক্ষেত্রেও শুধু ওই কাজটি নিয়েই মনোযোগী থাকা আবশ্যক।

  • লাইব্রেরি বা পাঠকক্ষে মুঠোফোন নীরব রাখতে হবে।

  • যদি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) যান, তবে ফোনটি বন্ধ করে ফেলা উচিত। তবে হাসপাতালে স্বাভাবিকভাবে অবস্থানের ক্ষেত্রে ফোনটি নীরব করে রাখা যেতে পারে।

  • বিমানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে মুঠোফোনের ফ্লাইট মোড বা এয়ারপ্লেন মোড অপশনটি চালু করে নিন। এই অপশনে মুঠোফোনে শুধু নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকবে। ফলে আপনার ফোনে ফোনকল সুবিধা ছাড়া অন্য সব সুবিধাই চালু থাকবে।

  • রাতে বাস বা ট্রেনে ভ্রমণের সময় মুঠোফোন সাইলেন্ট রাখা উচিত। অন্যথায় আপনার ফোনের রিংটোনের শব্দে, কিংবা পর্দার আলোর কারণে পাশের যাত্রী বিরক্ত হতে পারেন। যদি আপনিই চালক হয়ে থাকেন তাহলে নিজের মুঠোফোনটি নীরব রাখাই নিরাপদ।

  • সিনেমা হল, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা কোনো সভা-সেমিনারে থাকা অবস্থায় মুঠোফোনের রিংটোন বন্ধ রাখা যেতে পারে।

তবে এসব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ফোনকল বা বার্তা ‘মিসড’ হওয়ার আশঙ্কা থাকলে আপনার সিম কার্ডে ‘মিসড কল অ্যালার্ট’ সুবিধা চালু করে নিতে পারেন। এই সুবিধা নেওয়ার জন্য মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাড়তি টাকা নেবে।

বিজ্ঞাপন
প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন