বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

১. বিপদে যে আপনি সন্তানের পাশে থাকবেন, তা যেন সে বোঝে। তারা যেন বুঝতে পারে বিপদে, সমস্যায় পড়লে মা–বাবাকে পাশে পাবে। এই ধারণা শিশুকে একাকিত্বের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে। সমস্যা চেপে না গিয়ে প্রকাশে উৎসাহ পাবে।

২. তাদের সঙ্গেও নাচুন। বাদ্যের বাদনের তালে তাদের সঙ্গে নাচুন। অন্যে যা–ই বলুক, তারা যেন বোঝে সুখের অনুভব।

৩. নিয়ে যান পার্কে। তাদের নিয়ে একটু বল খেললেন, দৌড়ালেন। চুপচাপ বসে পাখির ডাক শোনালেন। এতে কেবল ব্যায়াম নয়, হবে আত্মনির্ভরতার শিক্ষা।

৪. নিজের মা–বাবাকে ভালোবাসবেন। সন্তান যেন বোঝে, মা–বাবাকে ভালোবাসতে হয়। তখন এই জগৎ হবে তার জন্য নিরাপদ ও ভালো উপলব্ধির স্থান।

৫. অন্তত একবার তাদের নিয়ে যান আপনার কর্মস্থলে। এতে সে বুঝবে তাদের প্রতিপালনের জন্য আপনি কী করছেন।

৬. তাদের ক্লাস গ্রেড যেন বেশি গুরুত্ব না পায়। বরং আপনার কাছে তাদের আচরণ যেন বেশি গুরুত্ব পায়, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য বেশি জরুরি। কবিগুরুর একটি কথা প্রণিধানযোগ্য—

‘বিদ্যা সহজ, শিক্ষা কঠিন

বিদ্যা আবরণ, শিক্ষা আচরণ।’

৭. খুব বেশি তাড়াহুড়ো করতে শেখাবেন না। তাহলে দেখবেন, একদিন আপনার জন্য সে ধীর হবে। তাড়াহুড়োর ফল যে ভালো হয় না, সেটা তাকে নানা উপায়ে বোঝাতে পারেন।

৮. নিজেদের ভুল তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করুন। এতে বোঝা যায়, কেউ এই পৃথিবীতে নিখুঁত নয়। সবার ভুলভ্রান্তি হতে পারে। ‘আমি ভুল করতে পারি না’ এই অহংকার যেন নিজের ভুল হলে স্বীকার করতে আর এ জন্য ক্ষমা চাইতে নিবৃত্ত না করে।

প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন