default-image

মডেল ও অভিনয়শিল্পী সুজানা জাফর। ঘর সাজাতে ভালোবাসেন। সংগ্রহে আছে নানা ব্র্যান্ডের সুগন্ধি। রং মিলিয়ে ব্যাগ আর জুতা কেনা তাঁর শখ।
নানা ধরনের খাবার রান্না করতে ভালোবাসেন সুজানা জাফর। কোনো উপলক্ষ পেলেই বাসায় দাওয়াত করেন বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনকে। তবে আজকাল প্রায় প্রতিদিন গরুর মাংস রান্না করছেন। কারণ, হৃদয় খানের সবচেয়ে পছন্দের খাবার এটি। ব্যাচেলর সুজানা আর স্ত্রী সুজানার মধ্যে বিস্তর ফারাক আছে বলেই জানালেন। এখন অনেক দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে কাজ করতে হয়। নিজের সংসার বলেই সেখানে মতামত দিতে হয়। পরিকল্পনা করেই সামনে যেতে হয়। যেমনটা ব্যাচেলর সুজানার মধ্যে দেখাই যেত না।
পয়লা বসন্ত আর ভালোবাসা দিবস নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা করছেন। সুজানা জাফরের ভাষায়, ‘ফাল্গুনে অন্যরা যখন বাসন্তী শাড়ি বা পাঞ্জাবিতে সাজে, দেখতে ভালো লাগে। তবে আমার বেশি পছন্দ পয়লা বৈশাখের উৎসব। অন্য সময়ে খুব কম সাজলেও এ সময়ে পুরো বাঙালি ঐতিহ্য মেনে সাজতে ভালো লাগে। তাই সাজগোজের জিনিস কেনা হয় প্রচুর।
দেশের বাইরে গেলেই নানা ধরনের সুগন্ধি কিনে ব্যাগ ভরে ফেলি। তা ছাড়া রং মিলিয়ে ব্যাগ আর জুতা কেনা আমার কাছে নেশার মতো একটা ব্যাপার।’
পশ্চিমা পোশাকেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সুজানা। জিনসের সঙ্গে টপ বা টি-শার্ট পরেন। শীতের সময়ে বেছে নেন স্টাইলিশ জ্যাকেট বা কাফতান। সালোয়ার-কামিজ পরতেও ভালোবাসেন। শাড়ির বিশাল সংগ্রহ থাকলেও পরা হয় খুব কম।

default-image

কোনো বিয়ে বা বিশেষ দাওয়াতে গেলেই কেবল শাড়ি পরেন। অভিনয়ের বাইরে খুব বেশি মেকআপ বা সাজগোজ করতে পছন্দ করেন না। ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক আর চোখে আইলাইনার শেড দিতে ভালোবাসেন। চুলটা প্রায় সব সময়ে খোলা রাখেন।
সময় পেলেই ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন। বেশি সময় পেলে দেশের বাইরে, আর তা না হলে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। এ ছাড়া বান্দরবানের নীলগিরি গেলেই মন ভালো হয়ে যায়। বাসায় আজকাল প্রতিদিন একটা সিনেমা দেখার চেষ্টা করছেন। অ্যাকশন-থ্রিলার চলচ্চিত্র তাঁর প্রিয়। ফেসবুকে নিয়মিত হয়েছেন বেশ কিছুদিন ধরেই। অভিনয়টা আবার শুরু করেছেন। নিজের কাজ নিয়েও তাই বেশ সিরিয়াস বলেই জানালেন।
সুজানা জাফরের পছন্দের ঋতু বর্ষাকাল। কারণ হিসেবে তিনি জানালেন, ‘এই সময়ে চারপাশটা ধুয়ে মুছে আরও সবুজ-সতেজ হয়। সবুজ প্রকৃতি দেখলে মনটাও সতেজ হয়ে ওঠে। আর বৃষ্টির শব্দে আলাদা একটা ছন্দ আছে, যেটা আমাকে খুব টানে।’

বিজ্ঞাপন
প্র অধুনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন