করোনার পরে কেমন আছেন তাঁরা?
করোনার পরে কেমন আছেন তাঁরা? আনন্দ

ঘাবড়ে যাননি রামেন্দু মজুমদার

প্রথম থেকেই মনোবল শক্ত ছিল রামেন্দু মজুমদার ও ফেরদৌসী মজুমদার দম্পতির। ২৭ আগস্ট দ্বিতীয়বার করোনা পরীক্ষা করিয়েছেন এই দুই নাট্যজন। রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘করোনার সময় সে রকম কিছু ভাবিনি। একেবারে ঘাবড়াইনি। এখন পুরোপুরি সুস্থ আছি।’ ১৪ জুলাই ফেরদৌসী মজুমদারের করোনা উপসর্গ দেখা দেয়, ১৮ জুলাই টেস্ট করা হলে পরীক্ষার ফল ‘পজিটিভ’ আসে। এর এক সপ্তাহ পর রামেন্দু মজুমদারের জ্বর জ্বর ভাব দেখা দেয়। টেস্ট করালে সেটাও আসে ‘পজিটিভ’। রামেন্দু মজুমদারের মনোবল এতটা শক্ত ছিল যে তিনি করোনায় আক্রান্ত অবস্থায়ও বাসা থেকে ফেসবুক লাইভে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর ভাষায়, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য মনোবল দৃঢ় রাখা সবচেয়ে জরুরি।

default-image
বিজ্ঞাপন

করোনা থেকে সেরে ওঠার পর...

প্রবীণ অভিনেতা প্রবীর মিত্র জুলাইয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। তবে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন না এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। জানা গেল, স্বাভাবিক জ্বর–সর্দি হলে যেমন থাকতেন, সেভাবে নিজের যত্ন নিয়েছেন। তাঁর পুত্রবধূ সোনিয়া জানান, এই অভিনেতা তেমন একটা পত্রিকা পড়েন না। টিভির সামনেও খুব একটা বসেন না। যে কারণে ৭৭ বছর বয়সী এই শিল্পী করোনা থেকে সেরে ওঠার আগ পর্যন্ত জানতেন না এই ভাইরাস কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। সোনিয়া আরও বলেন, ‘আমার শ্বশুর করোনামুক্ত হওয়ার পর আমরা তাঁকে সব বুঝিয়ে বলেছি। তখনই তিনি জেনেছেন করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে।’

default-image

করোনামুক্ত হয়ে ঢাকায় পপি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর চিত্রনায়িকা পপি খুলনায় পৈতৃক বাড়িতে চলে যান। ২২ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হন পপি। এরপর মাসখানেক করোনার সঙ্গে লড়াই করেন এই নায়িকা। দুই দফা পরীক্ষার পর জানা যায় তিনি করোনামুক্ত। বর্তমানে তিনি ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় বিশ্রামে আছেন। করোনামুক্ত হলেও পপির শারীরিক দুর্বলতা এখনো কাটেনি।

এদিকে নায়িকা তমা মির্জাও ১১ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হন। পরে ৬ আগস্ট করোনামুক্ত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

default-image
বিজ্ঞাপন

‘ভেবেছিলাম আর ফিরব না’

ফোনের ওপাশ থেকে সংগীত পরিচালক ও শিল্পী এস আই টুটুল বললেন, ‘এখন কিছুটা সুস্থ আছি। তবে শরীর বেশ দুর্বল।’ গত ২১ আগস্ট ফেসবুকে পোস্ট করে টুটুল তাঁর শরীরে করোনার সংক্রমণের কথা সবাইকে জানান। শুরুতে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছিলেন। এস আই টুটুল বলেন, ‘করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর প্রচুর ফোন পেয়েছি। একসময় ভেবেছিলাম আর ফিরব না, এ যাত্রাই হয়তো শেষ যাত্রা।’ তিনি কুষ্টিয়ায় তাঁর নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চলতি সপ্তাহেই দ্বিতীয়বার করোনা পরীক্ষা করাবেন এই গায়ক।

default-image

ফেরদৌস ওয়াহিদ

গত ১২ আগস্ট জ্বরে আক্রান্ত হন সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ। এরপর করোনায় আক্রান্ত কি না, নিশ্চিত হওয়ার জন্য বেসরকারি একটি হাসপাতালে তাঁর নমুনা দেওয়া হয়। ফলাফল নেগেটিভ আসে। কিন্তু জ্বর কমছিল না। শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে তাঁকে একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। ২১ আগস্ট পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। এখনো চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন তিনি।

default-image
প্র আনন্দ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন