বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যদিও সেই সহকর্মী এখন দূর আকাশের তারা। এরপরও চাকরিটা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন রেজিনা আহমেদ। প্রয়াত পররাষ্ট্রসচিব মিজারুল কায়েস তখন প্রশাসন অনুবিভাগে কাজ করেন। তাঁকে গিয়ে একদিন রেজিনা জানালেন, চাকরিটা তিনি ছেড়ে দেবেন। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে মিজারুল কায়েস তাঁকে জানিয়েছিলেন, ‘অস্থির হওয়ার দরকার নেই। আপাতত প্রসঙ্গটি থাক। এ নিয়ে পরে কথা হবে।’

এভাবেই দেখতে দেখতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এতটা সময় কেটে গেল তাঁর।

নারীমঞ্চ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন