বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে প্রভাব খাটানো চাই না

default-image

ত্রপা মজুমদার

সংস্কৃতিকর্মী

অতিমারিমুক্ত পৃথিবী চাই, নতুন বছরে এটি প্রথম এবং প্রধান চাওয়া। না চাওয়ার তো অনেক কিছুই আছে। আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে যে ঘটনাটি ঘটে, তা হলো মানুষ সৎ থেকে পরিশ্রম করে কোনো কিছুর প্রাপ্তি যোগ করতে পারে না। তাকে প্রভার খাটাতে হয়। শক্তি-ক্ষমতার মাধ্যমে মানুষকে কাজ করতে হয়। দক্ষতা-যোগ্যতা-পরিশ্রম-সততা দিয়ে মানুষ কোনো কিছু অর্জন করতে পারে না। সেই একই বিষয় আমরা আমাদের সংস্কৃতিক পরিমণ্ডলেও দেখতে পাই। সৃষ্টিশীলতা-পরিশ্রমে প্রাপ্তিযোগ হয় না। এখানেও চলে প্রভাব খাটানোর সংস্কৃতি। একটি সুস্থ-সুন্দর-মার্জিত সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের জন্য কাজের ধরনের এমন ধারাবাহিকতা আর চাই না।

নারী-পুরুষ শ্রমিকের বৈষম্য চাই না

default-image

তাসলিমা আক্তার

সভাপ্রধান

বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি

নতুন বছরে অনেক কিছুরই পুনরাবৃত্তি বন্ধ হোক, সেটা চাই। সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যে নারী শ্রমিক যে মজুরিবৈষম্যর শিকার হয়ে প্রাণশক্তি হারাচ্ছেন, তা চাই না। একই সঙ্গে চাই না পুরুষের সমান কাজ করেও নারী শ্রমিকের মজুরির বঞ্চনা, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং কর্মক্ষেত্রে অবজ্ঞা ও যৌন হয়রানি। নারী–পুরুষ শ্রমিক তাঁদের অধিকারের সংগ্রামে নির্যাতন, বাধা, হুমকি, হামলা-মামলার শিকার হোক আর চাই না।

কর্মক্ষেত্র থেকে নারীর ঝরে পড়া চাই না

default-image

ইসরাজ পারভীন

সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট

দি সিটি ব্যাংক লিমিটেড

আমি আমার কর্মক্ষেত্রে দেখে আসছি নারীরা সমান সুযোগ পাচ্ছেন। মাতৃত্বকালীন ছুটি পাচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশের সব কর্মক্ষেত্রের ছবি এটা নয়। সমান যোগ্য এবং দক্ষ হওয়ার পরেও নারীরা কর্মক্ষেত্রে বঞ্চিত হচ্ছেন। বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। এই বৈষম্য চাই না। সন্তান প্রতিপালনের জন্য নারীকে কর্মক্ষেত্র থেকে সরে আসতে হয়। এমন ঝরে পড়া দেখতে চাই না। কর্মক্ষেত্রগুলোতে দিবাযত্নœকেন্দ্র এবং সন্তান প্রতিপালন ছুটি নারীর কর্মক্ষেত্র থেকে ঝরে পড়া রোধ করতে পারে। কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি কোনো রকম বৈষম্য চাই না।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি চাই না

default-image

তানজিনা সুলতানা

গৃহিণী

একজন সাধারণ গৃহিণী হয়ে সন্তানের দেখাশোনা এবং পরিবার ব্যবস্থাপনায় কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়। সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া–আসার সময় রাস্তাঘাটের দুর্ঘটনার জন্য সারাক্ষণ আতঙ্কিত থাকি। মা–বাবার হাতে থেকেও চারপাশে দেখছি সন্তান দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এই শহর যেন আমার সন্তানের জন্য নিরাপদ হয়, সেটা সবার আগে চাওয়া। দ্রব্যমূল্য অনিয়ন্ত্রিত থাকুক এটা চাই না। কারণ, একার উপার্জনে সন্তানদের পড়াশোনা, পরিবারের ব্যয়ভার বহন করা কষ্টকর হয়ে যায়। দ্রব্যমূল্য হাতের নাগালে থাকলে আমাদের জীবনযাত্রা সুস্থির থাকবে।

নারীমঞ্চ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন