বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোরশেদা মৌরী জানালেন, এ অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ৯৯০ টাকা ফি দিয়ে মার্চেন্টের জন্য আবেদন করতে হবে।

এই উদ্যোক্তা জানালেন, অ্যাপটি একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। পণ্যের মার্কেটিংও করে দেওয়া হবে, ফলে বিক্রেতা নারীকে এর পেছনে বাড়তি সময় ব্যয় করতে হবে না। ক্রেতা খাবার ফরমাশ করলে তা পৌঁছে দেওয়া হবে। ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সম্পর্ক বা সংযোগ করে দেওয়ার কাজটি হবে এ অ্যাপের মাধ্যমে। মূলত, এটি হবে নারীদের একটি প্ল্যাটফর্ম।

মোরশেদা মৌরীর উদ্যোগেই ‘ফুড ম্যাগাজিন বাংলাদেশ’ নামের একটি ম্যাগাজিন প্রকাশিত হচ্ছে। এতে শুধু খাবারের রেসিপি নয়, ফুড সাইকোলজি, বাচ্চাদের খাবারসহ বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য দেওয়া হচ্ছে। ফুড ফটোগ্রাফি আয়ের একটি মাধ্যম হতে পারে, তা নিয়েও মানুষকে আগ্রহী করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

default-image

২০১৭ সাল থেকে মোরশেদা মৌরী গিগস নামের একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এতে নারীদের আইটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ নিয়ে নারীরা ঘরে বসেই আয় করতে পারছেন।

মোরশেদা মৌরী জানালেন, ২০১৭ সালে সন্তানের জন্মের পর চাকরিটা আর করা হয়নি। কিন্তু পড়াশোনা করেও কিছু একটা করতে পারছেন না—এ আফসোস হতো। তখন চিন্তা করলেন, চারপাশে তাঁর মতো এমন নারীর সংখ্যা তো একেবারে কম নয়। অনার্স পড়ার সময় নিজেই গ্রাফিক ডিজাইন নিয়ে একটা প্রশিক্ষণ করেছিলেন। ফ্রিল্যান্স করে আয়ও করতেন। সেই শেখাটাই আবার কাজে লাগালেন। এখন সাতজন নারী প্রশিক্ষক নারীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। প্রবাসী বাংলাদেশি নারীরাও এ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

মোরশেদা মৌরী বললেন, ‘প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রথম আয় করার পর কেউ যখন ফোনে বলেন, তিনি ১০ বছর পর আবার আয় করতে পেরেছেন, তখন খুব ভালো লাগে। মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনটি উদ্যোগ পরিচালনা করছি। আমার নিজস্ব অফিস আছে, সেখানে অন্যরা কাজ করছেন। এতে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির কেউ কোনো আপত্তি করছেন না। পাশেই আছেন। তবে বাবা খুশি হতে পারেন না, তাঁর ইচ্ছে ছিল মেয়েকে বিসিএস ক্যাডার বানানো।’

নারীমঞ্চ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন