সৈয়দপুর শহরের বেশ কিছু দোকানে সুরখাবের তৈরি মাস্ক বিক্রি হচ্ছে এখন। প্রথমে একাই সেলাই করে দৃশ্যচিত্র আঁকতেন। তখন ২০ থেকে ৩০টি মাস্ক তৈরি করা সম্ভব হতো। বর্তমানে সুরখাবকে সহযোগিতা করছেন তাঁর মা, ছোট বোন ও ভাবি। সেলাইয়ের কাজে দুজন কর্মীও নিয়েছেন তিনি। প্রতিদিন ৩০০টি নান্দনিক মাস্ক তৈরি হয় তাঁর বাসায়। প্রতিটি মাস্ক ৩০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি করেন।
সুরখাব জানান, ২০১৭ সালে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। মনোমালিন্যের কারণে শ্বশুরবাড়ি থেকে ২০১৯ সালে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এরপর কিছু করার চেষ্টা থেকে বাবার বাড়িতে ‘কালার ওশেন’ নামে একটি ছবি আঁকা শেখানোর স্কুল চালু করেন। করোনা মহামারি শুরু হলে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর স্কুল। যখন ভাবছিলেন, দুর্দিনে কী করবেন, তখন থেকেই শুরু হলো নকশা করা মাস্ক তৈরি।
করোনাকালে এ কাজের সন্ধান পেয়ে খুশি সুরখাব ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।