বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

স্কুলের শ্রেণিকক্ষ আর তায়কোয়ান্দো মাঠ—দুই–ই তার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। জাফরিনের প্রিয় জায়গা এখন মিরপুর ডিওএইচএসের তায়কোয়ান্দো ফেডারেশন। সেখানে প্রতিদিন সে তিন ঘণ্টা করে অনুশীলন করে। স্কুল ও তায়কোয়ান্দোর অনুশীলন সমানতালে চালিয়ে নিচ্ছেন মা ও মেয়ে। অনুশীলনের জন্য জাফরিনকে রোজ মিরপুর ডিওএইচএসে নিয়ে যান মা। কখনোই কোনো অজুহাতে বাদ যায়নি ক্লাস। ঝড়–বৃষ্টি যা–ই হোক, ক্লাস বা অনুশীলন কোনোটাই মিস করে না জাফরিন। করোনাও মা-মেয়েকে দমাতে পারেনি। অনলাইনে অনুশীলন করেছে জাফরিন। মায়ের ইচ্ছা মেয়ে জাফরিন যেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করে। সেই লক্ষ্যে মা-মেয়ের এগিয়ে চলা।

default-image

তায়কোয়ান্দোতে রেড ব্ল্যাক বেল্টপ্রাপ্ত জাফরিন রহমান মিরপুরের বনফুল আদিবাসী স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। জাফরিনের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, নাচ–গানের পাশাপাশি তার সবচেয়ে ভালো লাগে তায়কোয়ান্দো। সে আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করে দেশের জন্য সুনাম অর্জন করতে চায়।

বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা বলেন, এত ছোট বয়সেই জাফরিনের আগ্রহ ও উদ্যম অন্যদের উৎসাহিত করে।

নারীমঞ্চ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন