default-image

একদিন একদল নভোচারী যাচ্ছিল পোলাস নামক গ্রহে। তারা কেবল মজা করতেই যাচ্ছিল না, এক ভয়ংকর ভাইরাসকে পাকড়াও করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। তাদের প্রধান কার্যালয় মিরা এইচকিউ ভাইরাসটিকে ধরতে উঠেপড়ে লেগেছে। কারণ, ভাইরাসটা নিজের চেহারা বদলাতে পারে! আর ওই পোলাস গ্রহে মানুষ থাকবে বলে ঠিক করা হয়েছিল। তাই সেখানে ভাইরাস বসে থাকলে বিপদ না? তো ওই গ্রহে মানুষ পাঠানোর পর ছয় বছর কেটে গেছে। কিন্তু তাদের আর ফিরে আসার নামগন্ধ নেই। বুদ্ধিমান এক বিজ্ঞানী মানুষদের সঙ্গে একটি সিসি ফ্লাইং ক্যামেরা পাঠিয়েছিল। একদিন ওই ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও থেকে দেখা গেল, ভয়ানক ভাইরাসটা এক এক করে নভোচারীদের খেয়ে ফেলছে। দেখে তো সবার মাথা ঘুরে গেল।

একজন বলল, ‘এখনই আমাদের সুপার টিমকে পাঠাতে হবে!’

সবাই বলল, ‘ঠিক আছে, পাঠাব। কিন্তু ওখানে তো আরও নভোচারী আছে। তাদের

কী হবে?’

প্রথমজন বলল, ‘সুপার টিম বাঁচাবে তাদের।’

সবাই তার কথায় এক মত হলো। তৈরি হতে লাগল সুপার টিম।

প্রশ্ন হলো, সুপার টিম সুপার কেন? কারণ, তাদের পোশাক ভাইরাসরোধী। অর্থাৎ ওই পোশাক পরা থাকলে ভাইরাস কিছু করতে পারবে না। সুপার টিমের একেকজনের পোশাক আবার একেক রঙের। কারও লাল, কারও আকাশি, কারও কমলা আর কারও কালো। লাল পোশাকের সদস্যটা অনেক কথা বলে। কালো আবার বেশি কথা বলে না। কমলা আবার একটু নরমসরম, মানে তার মন একটুতেই ভেঙে যায়। আকাশি রঙেরটা মেয়ে, অভিযানে আবার তার ছোট বাচ্চাটাও সঙ্গী হয়। সব মিলিয়ে সবাই দারুণ রোমাঞ্চিত।

সব ভালোই চলছিল। সুপার টিমের সবাই একে অপরকে সাহায্য করছিল। সবাই সবার ভালো বন্ধু হয়ে গেল। কিন্তু তারা জানত না যে পোলাস গ্রহে গিয়ে তাদের কপালে কী আছে!

সুপার টিম একদিন পোলাস গ্রহে পৌঁছাল। এখন প্রথম কাজ হলো পুরোনো মহাকাশযান ঠিক করা। সবাই কাজে নেমে পড়ল। হঠাৎ খেয়াল করল, গ্রহে থাকা মানুষেরা ছুটে এসে তাদের জিজ্ঞেস করছে, ‘আপনারা কি সুপার টিম?’ তারা বলল, ‘হ্যাঁ, আমরা সুপার টিম।’

বিজ্ঞাপন
কমলা ধরে নিল, আকাশি মরে গেছে। তাই কমলা বাচ্চাটাকে নিয়ে সবাইকে ডাকার জন্য আরেকটা ঘরে ছুটে গেল। সবাই এসে বলল, ‘কী হয়েছে?’ কমলা বলল, ‘আকাশি মরে গেছে!’

পোলাস গ্রহের মানুষেরা খুব খুব খুশি হলো। আর বলল, ‘আপনারা আমাদের বাঁচান! ওই ভাইরাস ভয়ানক! ওরা অনেক বুদ্ধিমান। ওরা আমাদের কিছু সঙ্গীকে পোলাসের ঠান্ডায় জমিয়ে মেরে ফেলেছে! কিছু একটা করুন।’

সুপার টিম বলল, ‘সবাই এই মহাকাশযানে ওঠো। এটাতে করে আমরা পৃথিবীতে ফিরে যাব।’

কথামতো সবাই মহাকাশযানে উঠে পড়ল। তবে তারপরও তাদের ভয় কাটল না। কারণ, ভাইরাসটা রূপ বদলাতে পারে। হয়তো সে কোনো একজনকে মেরে তার রূপ ধরেই মহাকাশযানে

উঠে বসেছে!

শুরুতে সব ঠিকঠাক ছিল। সবাই মোটামুটি হাঁপ ছেড়ে বাঁচল। কিন্তু হঠাৎ করে মহাকাশযানের আলো চলে গেল! মহাকাশযানের আলো ফিরিয়ে আনার জন্য কমলা একটা ঘরে গেল। বাল্বগুলো ঠিক করতে গিয়ে সে খেয়াল করল, আকাশির বাচ্চাটা মেঝেতে পড়ে আছে আর ভীষণ কান্নাকাটি করছে! কমলা ধরে নিল, আকাশি মরে গেছে। তাই কমলা বাচ্চাটাকে নিয়ে সবাইকে ডাকার জন্য আরেকটা ঘরে ছুটে গেল। সবাই এসে বলল, ‘কী হয়েছে?’ কমলা বলল, ‘আকাশি মরে গেছে!’ লাল আর কালো বুঝে ফেলল যে ভাইরাসটা এই মহাকাশযানেই আছে। সতর্ক হয়ে গেল সবাই...।

গল্পের বাকিটা? মোবাইল গেমটা খেলে দেখতে পারো। তাহলেই বাকিটা জানতে পারবে। আর তুমিও নতুন কোন গেম খেললে জানিয়ো।

গোল্লাছুট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন