বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

নাকাতা তাঁর পাথরে ছবি আঁকার গল্প লেখেন ‘বোরডপান্ডা’ নামের একটি ওয়েবসাইটে। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে। অনেক পত্রিকায় খবর ছাপা হয়। তাঁর আঁকা প্রাণীর মতো দেখতে পাথরগুলো নিয়ে প্রদর্শনীও হয়েছে। এখন এটাই তাঁর মূল কাজ। পাথরে প্রাণীর ছবি এঁকে বিক্রি করেন।

default-image

নাকাতার এই আঁকিবুঁকি শুরু হয় একদিন নদীর পাড়ে হাঁটতে গেলে। ছোট্ট এক টুকরা পাথরে তাঁর চোখ আটকে যায়। আকারটা তাঁর কাছে মনে হয় ঠিক যেন একটি খরগোশ বসে আছে। নাকাতার ভাষায়, ‘শুধু আমিই পাথরটি পাইনি, যেন পাথরটিও আমাকে পেয়েছিল।’ ২০১০ সালের ঘটনা। সে-ই থেকে শুরু।

default-image

নাকাতা পাথরে ছবি এঁকে প্রাণীর আদল ফুটিয়ে তোলেন। তবে পাথরের আকারে কোনো পরিবর্তন করেন না। এমনকি ঘষামাজাও তাঁর পছন্দ নয়। তিনি অপেক্ষা করেন। বোঝার চেষ্টা করেন। এরপর হাতে তুলে নেন রংতুলি। সবশেষে আঁকেন চোখ। যখন তাঁর কাছে মনে হয় দুই চোখ মেলে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে কোনো প্রাণী, তখন আঁকা শেষ হয়।

নাকাতা তাঁর শিল্পকর্মের সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথোপকথনও চালিয়ে যান। এই কাল্পনিক কথাবার্তা তাঁর নাকি খুব ভালো লাগে। নাকাতা বলেন, ‘একসময় পাথরটি হয়তো বিশাল কোনো পাহাড়ের অংশ ছিল। এরপর আকার আকৃতি বদলে ঠাঁই পেল আমার হাতে। হাজার হাজার বছর ধরে পৃথিবীর বদলে যাওয়ার যে ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছে এটি, আমি তা-ই বোঝার চেষ্টা করি।’

সূত্র: বোরডপান্ডা ডটকম

গোল্লাছুট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন