বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
আমরা জানি, তোমাদের মনের জোর অনেক। তোমরা এসব বাধা পেরিয়ে নিজেদের মানিয়ে নেবে। বুঝতেই পারছ, আমরা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাব। সারা পৃথিবীতে একই সমস্যা। তোমাদের মতো অনেক শিশু একই রকম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

তোমাদের স্কুলে ঢোকার পথে বৃত্ত আঁকা আছে নিশ্চয়ই। বৃত্তগুলো যে এমনি এমনি আঁকা হয়নি, তা নিশ্চয়ই তোমরা জানো। ওই বৃত্ত ধরে ধরেই এগোবে। ভিড়ভাট্টা থেকে থাকতে হবে দূরে দূরে। হাতে মাখবে স্যানিটাইজার। পানি আর সাবান থাকলে হাত ধুয়ে নেবে। তোমরা জানো, ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ভালো করে ধুয়ে ফেললে নিরাপদে থাকা যায়। তোমাদের সঙ্গে রুমাল, টিস্যু নিশ্চয়ই থাকে। হাঁচি–কাশি এলে নাক–মুখ টিস্যু দিয়ে ঢেকে হাঁচি দেবে। নোংরা টিস্যু ফেলবে ময়লার বাক্সে। টিস্যু–রুমাল না থাকলে কী করবে? হাঁচি দেবে হাতের কনুই ভাঁজ করে। তারপর ধুয়ে ফেলবে হাতের ওই অংশটুকু।

স্কুলে ঢোকার সময় তোমাদের শরীরের তাপমাত্রাও দেখা হচ্ছে। তাপমাত্রা ঠিকঠাক হলে তো কথাই নেই। তোমাদের বয়সে টিকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি। এ কারণেই তোমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে খুব ভালোভাবে। এখন কেবল করোনাভাইরাস নয়, ডেঙ্গু জ্বরও বেশ হচ্ছে। ছোটরাই বেশি ভুগছে এতে। তাই ক্লাসে পরে আসবে লম্বা হাতা জামা আর লম্বা প্যান্ট। যেখানে পানি জমেছে, সেখানে যাবে না। টয়লেট ব্যবহারে সতর্ক থেকো।

আমরা জানি, তোমাদের মনের জোর অনেক। তোমরা এসব বাধা পেরিয়ে নিজেদের মানিয়ে নেবে। বুঝতেই পারছ, আমরা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাব। সারা পৃথিবীতে একই সমস্যা। তোমাদের মতো অনেক শিশু একই রকম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। খুশির খবর হলো, অচিরেই ১২ বছরের বেশি এবং আরও কম বয়সীদের জন্য টিকা এসে যাবে। তখন আর চিন্তা থাকবে না।

আরেকটা কথা, স্কুলের বাইরের ঝালমুড়ি, ফুচকা, আচার তোমাকে হাতছানি দিতে পারে। আপাতত ওসব কানে তুলবে না। স্কুলে অসুস্থতা বোধ করলে শিক্ষকদের জানাবে। অসুস্থ হলে খবর চেপে রাখা যাবে না। বাসায় অসুস্থ হলেও স্কুলে আসবে না। জানিয়ে দেবে তোমার হাল। তবে আমরা মনেপ্রাণে চাই, তোমরা সবাই যেন সব সময় সুস্থ থাকো, ভালো থাকো, আনন্দে থাকো। শেষ কথা হলো, সুস্থ থাকতে চাইলে সাবধানে থাকতেই হবে।

গোল্লাছুট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন