বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবার নিচে তাকাল ছানা মেঘ আর মা মেঘ। নিচে এখন শুধুই কালো মেঘেরা। দুদল কালো মেঘ মুখোমুখি। হঠাৎ দুই দলে ঠেলাঠেলি শুরু হয়ে গেল। এই দল ঠেলছে ওই দলকে। আর ওই দল ঠেলছে এই দলকে। আর শুরু হলো আলোর ঝলকানি। তর্জনগর্জন। হুংকার!

আবারও ভয়ে কুঁকড়ে গেল ছানা মেঘ। আবারও মায়ের কোলের ভেতর ঢুকল।

মা মেঘ বলল, ‘ভয় পেয়ো না। ওরা এমনই।’

কিছু সময় পরে আর হইচই নেই।

ভয়ে ভয়ে উঁকি দিল ছানা মেঘ। এখন আর দুই দল মেঘ নেই। মিলেমিশে একদল হয়ে গেছে। আর কী অবাক! দেখতে দেখতে হঠাৎ উধাও হয়ে গেল মেঘেরা। একটু পর আর একটা মেঘও রইল না।

‘মা, মেঘগুলোকে দেখছি না।

কোথায় গেল?’

‘বৃষ্টি হয়ে চলে গেছে।’

‘কোথায় গেছে?’

default-image

নিচে তাকাল মা মেঘ। আবার রোদেরা ডানা মেলেছে। আবার ঝিকমিক করছে নদী।

গাছের পাতা থেকে তখনো পানি পড়ছিল। টুপ। টুপ। টুপ।

মা মেঘ বলল, ‘ওরা ওখানে গেছে।’

বলেই গাছ দেখাল মা মেঘ। মাঠ দেখাল। নদী দেখাল। নদীর পার দেখাল। দেখে ছানা মেঘের একটা শখ হলো।

‘মা, সারা দিন তো কেবল আকাশেই ভেসে বেড়াচ্ছি। আর ভালো লাগছে না। চলো আমরাও ওখানে যাই!’

‘আমরা যে ওখানে যেতে পারি না!’

‘কেন যেতে পারি না?’

মা মেঘ একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছাড়ল। তারপর বলল, ‘কারণ, আমরা সাদা মেঘ। শুধু কালো মেঘেরাই ওখানে যেতে পারে!’

ছানা মেঘ কী বুঝল কে জানে। হঠাৎ নদীর পার থেকে ভেসে এল, হাম্বা-আ-আ...।

তাই তো! নদীর দুপারে ওরা কারা? চার পায়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে। লেজ নাড়ছে। আর ডাকছে, হাম্বা-আ-আ...

জানতে চাইল ছানা মেঘ, ‘ওরা কারা, মা?’

মা মেঘ জবাব দিল না। মা মেঘ তখনো ভাবছিল। আহা! যদি কখনো কালো মেঘ হতে পারত! তাহলে...

গোল্লাছুট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন