default-image

অনেক দিন আগের কথা। এক ছিল বেগুন। তার কোনো বন্ধু ছিল না। সব সময় দুঃখ–কষ্টে দিন কাটাত। একদিন সে মনমরা হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। হঠাৎ করে কারও গলার শব্দে হুঁশ ফিরে এল। দেখল, একটা মরিচ দাঁড়িয়ে আছে। মরিচ বলল, ‘ও বেগুন ভায়া, ওভাবে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছ কেন?’

বেগুন তার দুঃখের কথা বলল। মরিচ তখন বলল, ‘বেগুন ভায়া, আমি কি তোমার বন্ধু

হতে পারি?’

বেগুন তো খুশিতে আত্মহারা। তারপর তারা বন্ধু হয়ে গেল। দুদিন পর তাদের সঙ্গে পেঁয়াজের বন্ধুত্ব হলো। তারও দুদিন পর তাদের সঙ্গে লবণের বন্ধুত্ব হলো। আর তার দুদিন পর তাদের সঙ্গে শর্ষের তেলের বন্ধুত্ব হলো।

একদিন বেগুন, মরিচ, পেঁয়াজ, লবণ আর শর্ষের তেল বেড়াতে বের হলো একসঙ্গে। বেরিয়ে কিছু দূর যেতেই তারা দেখতে পেল, বিরাট দেহের, লম্বা শুঁড়ের, বটগাছের মতো পা নিয়ে এক হাতি এগিয়ে আসছে। হাতিটা এগিয়ে এসে দিল তাদের থেঁতলে। আর সঙ্গে সঙ্গে সবাই একসঙ্গে ভর্তা হয়ে গেল! কিছুক্ষণ পরে এক লোক সেই পথ দিয়ে যাচ্ছিল। পথের ওপর ভর্তা দেখে তার জিবে পানি এসে গেল। সে প্রথমে মাটি দিয়ে চুলা বানাল, লাকড়ি দিয়ে উনুন ধরাল। তারপর একমুঠ চাল ফুটিয়ে ভাত রেঁধে সেই ভর্তা দিয়ে মেখে খেয়ে ফেলল। সেই থেকে হলো বেগুনভর্তা খাওয়ার প্রচলন।

বিজ্ঞাপন
গোল্লাছুট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন