বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্যাঁচার দ্বীপ এলাকার এই সেতুর গোড়ায় এসে রহস্যের জট খুলতে শুরু করল। সোহেল ও শাখী নামের যে দুজন আমাদের স্বাগত জানালেন, তাঁরা স্বামী-স্ত্রী। দুজনই ‘চাঁদ নৌকা ভ্রমণ’ নামে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। সেসব কথা আমরা সড়ক থেকে নেমে খালের পাশ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে শুনছিলাম।

এরই মধ্যে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন মিথুন ও মনীষা নামে ঢাকা থেকে আসা আরেক দম্পতি। আমরা এগিয়ে চললাম। অনতিদূরেই দেখা যাচ্ছে সাগর। পাশে সৈকতঘেঁষা বৃক্ষশোভিত একটি বাড়ি। বৃক্ষরাজির মধ্যে নারকেলগাছ তার উচ্চতার উপস্থিতি বিশেষভাবে জানান দিল।

default-image

বাড়ির কাছে আসতেই মালা পরিয়ে বরণ করা হলো। হাতে তুলে দেওয়া হলো ডাব। ওয়েলকাম ড্রিংয়ের চেয়ে দৃষ্টি কাড়ল গলায় পরা মালাটা। সৈকতে জন্মানো একপ্রকার লতার মাথায় জবা ফুল বাঁধা। নৌকায় উঠে পড়লাম আমরা।

জেনে নিন

মূলত কক্সবাজারে ঘুরতে আসা পরিবারের কথা বিবেচনা করে এক বেলা নৌকাভ্রমণের আয়োজন করেন সোহেল-শাখী দম্পতি। নৌকাভ্রমণের সঙ্গে মিনি বান্দরবান আর প্যাঁচার দ্বীপের সৈকতে নামিয়ে কিছুটা সময় ঘোরানো হয়। থাকে দুপুরের খাবারের আয়োজন। জনপ্রতি ৭০০ ও ১২০০ টাকার প্যাকেজ। চাইলে নিজেদের মতো করেও প্যাকেজ সাজানো যায়।
default-image

চাঁদের মতো দেখতে সে নৌকা। কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী নৌকায় ভ্রমণ বলেই নাম—চাঁদ নৌকায় ভ্রমণ। প্যাঁচার দ্বীপের লাল ব্রিজ পেরিয়ে রেজু খাল ধরে নৌকা ছুটল মিনি বান্দরবানের উদ্দেশে।

রেজু খালে দুবার নৌকা আটকাল। মাঝি বললেন, ‘ভাটার টান।’ পাশ দিয়ে কয়েকজন পর্যটক কায়াক চালিয়ে চলে গেলেন। আমাদের মনোযোগ অবশ্য কায়াকিংয়ে নয়, খোশগল্পে। মাঝিসহ নৌকায় জনা দশেক মানুষ আমরা। আড্ডা জমে উঠল। একেকজনের একেক গল্পে নৌকা চলতে থাকল। চাঁদের মতো সে নৌকা!

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন