বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রায় দুই যুগ ধরে নদীতীরবর্তী অঞ্চলের ২২টি জেলার ৩২টি এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে জীবনতরী। ১০ শয্যার হাসপাতাল থেকে সেবা পেয়েছেন প্রায় ৭ লাখ মানুষ। পাশাপাশি ৫০ হাজার রোগীর সার্জারি হয়েছে।

স্বল্প আয়ের মানুষেরা এ হাসপাতাল থেকে চোখের ছানি, নাক-কান ও গলার রোগের চিকিৎসা, জন্মগত মুগুর-পা, বাঁকা পা, ঠোঁট কাটা, তালু কাটা চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের সুবিধা পেয়েছেন।

default-image

এই ভাসমান হাসপাতালকে দেশের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টেনে নিয়ে যায় এক জোড়া টাগবোট। ২০২১ সালের মার্চ থেকে জীবনতরী আছে ঝালকাঠীর সুগন্ধা নদীর তীরে। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের পাশাপাশি হাসপাতালটিতে রয়েছে ৩৪ জন নিজস্ব কর্মী। আছেন চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিকস, কাউন্সেলর, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও অন্যান্য কর্মী। এখানেই তাঁদের থাকার ব্যবস্থা।

default-image

দেশের বাইরের অনেক সার্জন রোগীদের সেবা দিতে জীবনতরী পরিদর্শন করেছেন। হাসপাতালের সার্জনদেরও প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন। হাসপাতালের নিজস্ব তিনজন মেডিকেল অফিসার ছাড়াও বর্তমানে ঢাকার বিশেষজ্ঞ সার্জনরা প্রতি মাসে জীবনতরীর রোগীদের সেবা দিয়ে থাকেন।

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন