বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একসময় বর্তমান প্রধান শিক্ষকের দপ্তরে এলেন সবার ‘কালাম স্যার’। প্রবীণ শিক্ষককে সালাম করলেন আবেগাপ্লুত শিক্ষার্থীরা। তিনিও প্রিয় ছাত্রদের বুকে জড়িয়ে স্নেহের পরশে আলিঙ্গন করলেন। সুযোগ পেয়ে আমরা শুনলাম প্রিয় শিক্ষকের গল্প।

১৯৬৭ সাল। স্নাতক পরীক্ষা শেষ করেছেন। ফল প্রকাশের আগেই সেনবাগের ছাতারপাইয়া বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করলেন। তারপর আরও চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান করেছেন তিনি। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকই ছিলেন ২৫ বছর। শিক্ষকতাজীবনের বেশির ভাগ সময় অজপাড়াগাঁয়ের অবহেলিত সব প্রতিষ্ঠানকে নিজের আলোয় আলোকিত করেছেন। তাঁর শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে নানা ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত। কখনো কোনো ধরনের অসুস্থতা তাঁকে কাবু করতে পারেনি। বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষই ছিল তাঁর ঘরবাড়ি। যার কারণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি—সবার কাছেই ছিলেন আপনজন।

default-image

২০০৮ সালে খলিলুর রহমান উচ্চবিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করে গ্রামের বাড়ি একই উপজেলার চাষীরহাটে ফিরে যান আবুল কালাম আজাদ। এলাকার মানুষের আবদারে সদ্য প্রতিষ্ঠিত হনুফা খাতুন উচ্চবিদ্যালয়ের দায়িত্ব নেন। দুই বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে এমপিওভুক্তি করে দিয়ে দীর্ঘ শিক্ষকতাজীবনের ইতি টানেন তিনি।

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন