বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

শুটিং শেষে ফেরার পথে আমাদের লম্বা সময় ধরে আলাপ হলো। দুজনের অনেক পছন্দ মিলে যায়। অভিনয়ে টম হ্যাংকস, গানে জন ডেনভার—এ রকম বেশ কিছু মিল।

ফারিণ বই পড়ে, সিনেমা দেখে, গান শোনে। এসব নিয়েই তার সঙ্গে গল্প হয় বেশি।

কিছু কিছু মানুষ থাকে, যাদের দেখলে অনেক দিনের চেনা মনে হয়, কথা বললে আপন লাগে, মনে হয় পাশের বাড়ির মানুষ। কথাবার্তায়, চলন-বলনে ফারিণ তেমনই। যেটা ব্যক্তিজীবনে মানুষের প্রিয় হতে এবং অভিনয়জীবনে চরিত্রের প্রতি দর্শকের ভালো লাগা জন্মাতে তাকে সাহায্য করে।

তবে চুপচাপ নরম-শরম হলেও আমার ধারণা ফারিণ জেদিও। জীবনের বেশ কিছু সময় তার সমুদ্রের কাছে কেটেছে বলেই হয়তো সে সমুদ্রের মতো।

default-image

বর্তমান সময়ের একজন মেধাবী ও দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। এ সময়ে যে কজন অভিনেত্রী চরিত্রের সঙ্গে মিশতে পারে, গল্পের চরিত্রকে দর্শকের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে, তাদের অন্যতম ফারিণ।

ফারিণের সবচেয়ে ভালো দিক—তাকে কোনো কিছু বোঝালে সে চট করে সেটা ধরে ফেলে। দিন দিন টেলিভিশনে তার চাহিদা বাড়লেও সে তুলনায় তার কাজের সংখ্যা খুব বেশি নয়। তার আরেকটা ভালো দিক—গল্প ও চরিত্রের প্রতি মনোযোগী হয়ে জেনেবুঝে কাজ করা। টিভিতে এবং ওটিটিতে তার ভালো কাজের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। ফারিণ চ্যালেঞ্জ নিতে চায়, এক্সপেরিমেন্ট করতে চায়।

ফারিণের নাম লিখতে কেউ ‘দন্ত্য–ন’ ব্যবহার করলে তার মন খারাপ হয়। কিন্তু আমি জানি, ফারিণের এই মন খারাপ আর বেশি দিনের জন্য নয়। ফারিণ নিজেই নিজেকে এমন একটা অবস্থানে নিয়ে যাবে, যেখানে শুধু ‘ফারিণ’ শব্দটাই গুরুত্বপূর্ণ, মূর্ধন্য-ণ, দন্ত্য–ন নয়।

default-image

বাবার চাকরির সুবাদে ফারিণের ছোটবেলা কেটেছে এই শহর–ওই শহর করে। এখন চরিত্রের প্রয়োজনে তাকে ছুটতে হয় এদিক-সেদিক। তার এই ছুটে চলা দুরন্ত হোক, সুন্দর হোক।

ফারিণ পাখি হয়ে উড়ুক, রোদে পুড়ুক, জলে ভিজুক চরিত্রে চরিত্রে।

ছোটবেলার বাবার বাইকে চড়ে প্রতিদিন শহর ঘোরার বায়না করা মেয়েটা দেশ–বিদেশ ঘুরে বেড়াক, বাংলা কনটেন্ট নিয়ে।

ফারিণের জন্য শুভকামনা।

লেখক: নাট্যনির্মাতা

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন