default-image

ভরপেটে খাওয়ার পর দই না খেলে যেন খাওয়াটাই পূর্ণ হয় না। কেবল খাওয়া শেষেই নয়, অন্যান্য সময়েও হালকা খাবার হিসেবে দইয়ের সমাদর কম নয়। প্রায় চার হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশ ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম প্রচলন শুরু হয় দুধজাত এই সুস্বাদু খাবারের। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে আজকাল যে দই বলতেই আমরা বুঝে থাকি নানা স্বাদ, রং, গন্ধের হিমায়িত দই; তার ইতিহাস কিন্তু খুব পুরোনো নয়।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এইচপি হুড এলএলসি গত শতকের ৭০-এর দশকে প্রথম হিমায়িত দইয়ের ধারণাটি নিয়ে আসে। হালকা আপ্যায়নের খাবার হিসেবে এটি বানিয়েছিল তারা। একে তখন বলা হতো ফ্রোগার্ট অর্থাৎ ফ্রোজেন ইয়োগার্ট। একই সঙ্গে আইসক্রিমের স্বাদ, শরীরের জন্য উপকারী এবং চর্বি কমানোর জন্য কার্যকর খাবার হওয়ায় অল্প দিনেই দারুণ জনপ্রিয়তা পায় হিমায়িত দই। আইসক্রিম কোম্পানি টিসিবিওয়াই খাবারটির এমন কাটতি দেখে ১৯৮১ সালে রীতিমতো দোকান খুলে বসে।

আজ ৬ ফেব্রুয়ারি, হিমায়িত দই দিবস। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়।

ডেজ অব দ্য ইয়ার অবলম্বনে

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন