default-image

বাংলা সন-তারিখ ও পঞ্জিকা নিয়ে প্রায় ৪০ বছর যাবৎ গবেষণা করতে গিয়ে মনে হয়েছে, দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার কোন দেশে কীভাবে নববর্ষের প্রবর্তন এবং উৎসবের আঙ্গিক ও ধরন উদ্ভাবন করা হয়েছে, সে বিষয়ে একটু তত্ত্ব-তালাশ করে দেখি। কাজটি করতে গিয়ে ভেবেছি, বাংলা অঞ্চলের নববর্ষের সঙ্গে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নববর্ষ এবং উৎসবের বিষয় ও ধরনকেও বিবেচনায় আনা প্রয়োজন। তাহলে এই অঞ্চলের নববর্ষ উৎসবের মিল-অমিল এবং আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাসের ঐক্যসূত্রও বোঝা সহজ হবে।

বাংলাদেশে বাংলা সন কে প্রবর্তন করেছিলেন, সে সম্পর্কেই এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত ফয়সালা হয়নি। ঐতিহাসিকেরা এ বিষয়ে খুব তথ্যনিষ্ঠ কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেননি। ওডিশার আধুনিক ঐতিহাসিক কাশীপ্রসাদ জয়সোয়াল সে দেশের এশিয়াটিক সোসাইটির জার্নালে প্রথমবারের মতো লেখেন, সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তক। এই মতের সমর্থক হিসেবে আমরা পেয়েছি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. মেঘনাথ সাহা, প্রত্নতত্ত্ববিদ অমিতাভ ভট্টাচার্য (দ্য বেঙ্গলি এরা ইন দি ইন্সক্রিপশনস অব লেটার মেডিয়েভল বেঙ্গল, খণ্ড ১৩), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ভূতপূর্ব কারমাইকেল অধ্যাপক ব্রতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন প্রমুখকে। এতৎসত্ত্বেও বিভিন্ন পণ্ডিত-ঐতিহাসিক-গবেষক বাংলা সনের প্রবর্তক হিসেবে নানা রাজা-বাদশাহ বা সুলতানের নাম হাজির করেছেন। কেউ বলেছেন, সম্রাট শশাঙ্ক বাংলা সনের প্রবর্তক। কেউ বা বলেন হোসেন শাহ বা নেপালি সম্রাট সনস্রঙ। তবে খুঁটিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আকবর বা উপর্যুক্ত কারও নামই বাংলা সনের প্রবর্তক হিসেবে ঐতিহাসিক প্রমাণে চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভ করেনি। আনুষঙ্গিক তথ্যপ্রমাণ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের বিচার-বিবেচনা করে আমরা মোগল সুবেদার (পরবর্তীকালে নবাব) মুর্শিদ কুলি খানকেই বাংলা সনের প্রবর্তক বলে মনে করি। তবে তিনি আকবর-প্রবর্তিত ‘তারিখ-এ-এলাহি’র সূত্র অনুসরণ করেই বাংলা অঞ্চলের কৃষকের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সন প্রবর্তন করেছেন—এমনই ধারণা করি। যদি তা-ই হয়ে থাকে, তাহলে সম্রাট আকবর পরোক্ষভাবে এই সনের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এমন মনে করা যেতে পারে।

বিজ্ঞাপন
default-image

মোগল সম্রাটেরা সুবেদার মুর্শিদ কুলি খানের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে প্রচুর পরিমাণে কর আদায়ের নির্দেশ জারি করেন। কৃষিভিত্তিক বাংলায় মোগলদের আচরিত ‘হিজরি সন’ কৃষকের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের জন্য ছিল প্রতিকূল। কারণ, প্রতিবছর হিজরি সন সাড়ে ১০ বা ১১ দিন পিছিয়ে যায়। এদিক বিবেচনায় রেখে মুর্শিদ কুলি খান আকবর-প্রবর্তিত ‘এলাহি সনে’র আদলে বাংলায় হিজরি চান্দ্র এবং ভারতীয় সূর্য-সনের সম্মিলনে বাংলা সন চালু করেন বলে মনে হয়। আমাদের এই অনুমানে প্রাক্-মধ্যযুগের মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহাসিক মুন্সি সলিমুল্লাহর ফার্সি ভাষায় লেখা তারিখ-ই-বাঙালাহ (১৭৬৩) গ্রন্থে এর পরোক্ষ সমর্থন পাওয়া যায়। ওই গ্রন্থে বলা হয়েছে, নবাব মুর্শিদ কুলি খান পয়লা বৈশাখে ‘পুণ্যাহ’ উৎসব চালু করেন। তখন কিছুটা জাতীয় পুঁজির বিকাশ ঘটায় ব্যবসা-বাণিজ্যের একটি উন্নত অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছিল। এই ব্যবসায়ীরাই পুণ্যাহর আনুষঙ্গিক অনুষ্ঠান হিসেবে ‘হালখাতা’ উৎসব চালু করেন। বাংলার অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। ফলে, কৃষকের হাতে নগদ অর্থের জোগান শুধু ফসল কাটার সময়েই আসত। তাই বাধ্য হয়ে তাঁরা দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবসায়ী বা দোকানিদের কাছ থেকে বাকিতে কিনতে বাধ্য হতেন। নতুন বছরের প্রথম দিনে হালখাতা উৎসবে বকেয়া অর্থের পুরোটা বা আংশিক পরিশোধ করে হালখাতা বা নতুন খাতায় নাম লেখা হতো। বাংলার মোগল সুবেদার বা নবাবেরা তাঁদের শাসনের স্বার্থেই প্রজাসাধারণের মনোতুষ্টির জন্য পুণ্যাহ, হালখাতা ছাড়াও মুর্শিদাবাদের স্থানীয় ‘বেড়াভাসান’ উৎসবসহ নানা লোক-উৎসবে যোগদান করে প্রজাদের মনোরঞ্জনের প্রয়াস পান। ‘আমানি’ নামের কৃত্য, ‘লাঠিখেলা’, ‘হাডুডু’, ‘গরুর দৌড়’ ইত্যাদি ছিল বাংলা নববর্ষের গ্রামীণ বাংলার আঞ্চলিক উৎসব। নানা বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ এ উৎসব ইংরেজ আমলে ইংরেজদের নববর্ষের আদলে নতুন আঙ্গিক ও রূপ পরিগ্রহ করে। এ ক্ষেত্রে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের বিশেষ ভূমিকা ছিল। ভারতের স্বাদেশিকতার চেতনাও এভাবে নববর্ষ উদ্‌যাপনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

default-image

বাংলাদেশে পাকিস্তান আমলে নববর্ষ উদ্‌যাপন বাধার মধ্যে পড়ে। কিন্তু পূর্ব বাংলার বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাওয়ায় বাংলা সনের উৎসব উদ্যাপনের একটি প্রবল তাড়না এ অঞ্চলে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৬১ সালে ছায়ানট প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৬৭ সাল থেকে এই সংস্থা বাংলা নববর্ষকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক জাতীয় উৎসবে রূপদানের লক্ষ্যে রমনার পাকুড়মূলে নববর্ষ উদ্যাপনের অনুষ্ঠান সূচনা করে। এই উৎসব প্রতিবছর বিশাল থেকে বিশালতর হয়ে এখন বাঙালির একটি সর্বজনীন জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছে। গ্রামীণ গম্ভীরা, যাত্রা, জারি, লোকগীতি ছাড়াও রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত ও দেশাত্মবোধক গান এখন বাংলা নববর্ষ উৎসবের মূল উপাদান। এভাবেই নববর্ষ উৎসব এখন ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এক বর্ণিল, সর্বজনীন জাতীয় উৎসব ও বাঙালির মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
এবার আমরা দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের নববর্ষের সঙ্গে বাংলা নববর্ষের মিল-অমিল খুঁজে দেখার চেষ্টা করব। প্রথমে আমরা বৃহৎ ভারতের দিকে তাকিয়ে দেখি। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নববর্ষ উৎসব অনেকটা আমাদেরই মতো মধ্য এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হয়। কখনো কখনো মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। আমাদের ইতিহাসের দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা এই যে একসময় যে বৃহৎ ‘বাংলা-বিহার-উড়িষ্যা’ রাজ্যটি ছিল, তার তিনটি কেন্দ্র: বাংলাদেশ, বিহার ও ওডিশায় নববর্ষ এখনো উদ্যাপিত হয় একই দিনে, অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল। এ থেকে অনুমান করা যায়, এই অঞ্চলে বাংলার নবাবদের পরিপূর্ণ আধিপত্য ছিল এবং অঞ্চলটিতে একটি সাংস্কৃতিক ঐক্যও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অন্যদিকে, বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দুটি ভারতীয় রাজ্য মণিপুর ও আসামেও ১৪ এপ্রিল, কখনো-সখনো ১৫ এপ্রিলে নববর্ষ উদ্যাপিত হয়। আসামে এই উৎসবের নাম ‘রঙ্গালি বিহু’। রঙের খেলা এবং নাচ-গানের এই নববর্ষ ১৪ বা ১৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের পার্বত্য অঞ্চলেও প্রায় একই সঙ্গে নববর্ষ উদ্যাপিত হয়। সেখানে তরুণ-তরুণীরা পরস্পরের প্রতি পানি ছিটিয়ে দিয়ে হাসি-আনন্দে মেতে ওঠে। তরুণ-তরুণীর একে অপরকে পানি দিয়ে ভিজিয়ে দেওয়ার বিষয়টি প্রজননের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়া-সংক্রান্ত কোনো বিশ্বাসের প্রতীকও হয়ে থাকতে পারে।

default-image
বিজ্ঞাপন

নেপালে নববর্ষ উদ্‌যাপিত হয় মৈথিলী নববর্ষের মতোই ১ বৈশাখে। মজার ব্যাপার, পাঞ্জাবেও নানক শাহি শিখেরা আমাদের মতোই বিজ্ঞানসম্মত, ১৪ এপ্রিলে ‘বৈশাখী’ নামে ফসলের উৎসব হিসেবে নববর্ষ উদ্যাপন করে। ভক্ত শিখেরা প্রত্যুষে গুরুদুয়ারায় ফুল হাতে উপস্থিত হয় এবং সেখানে পুষ্প অর্পণ করে। তাদের এই অনুষ্ঠানে নানা ধরনের গান-বাজনা, ভক্তিমূলক আচার-অনুষ্ঠান ও বর্ণাঢ্য মিছিলের ব্যবস্থা থাকে। পশ্চিম বাংলায় উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলের মতো ১৪ বা ১৫ এপ্রিলে নববর্ষ উদ্যাপিত হয়। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানী মেঘনাথ সাহা ও তাঁর প্রবর্তিত শকাব্দ সনের সংস্কারের কিছু সংস্কার সাধন করে ভারত সরকার পান্ডে কমিটির যে সংস্কার প্রস্তাবটি গ্রহণ করে, তাতেও সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ১৪ এপ্রিলেই পয়লা বৈশাখ উদ্যাপিত হবে।
পশ্চিমবঙ্গে প্রাচীন সংস্কার এবং পঞ্জিকা ব্যবসায়ীদের আধিপত্যের ফলে ১৪ বা ১৫—এই দুই দিনের যেকোনো দিন নববর্ষ উদ্যাপিত হয়। তেলেগু বা কন্নর অঞ্চলেও মার্চ বা এপ্রিল মাসেই নববর্ষ উদ্যাপিত হয়। দক্ষিণ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ ও কর্ণাটক রাজ্যে ‘যুগাদি’ (যুগ+আদি, অর্থাৎ নতুন বছর) শুরু হয় চৈত্র মাসে। তামিলনাড়ুতেও এই একই রীতি। কাশ্মীরে নববর্ষ শুরু হয় ১৯ মার্চ। মহারাষ্ট্রে নববর্ষ উদ্যাপিত হয় অন্ধ্র প্রদেশের মতোই যুগাদি রীতি অনুযায়ী।

default-image

ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্তমানে যে নববর্ষ উৎসব উদ্‌যাপিত হয়, তাতে প্রধানত ইরানের ‘নওরোজ’-এর প্রভাব আছে। মোগলরাই ইরানি ঐতিহ্যের সূত্রে ভারতে নববর্ষ চালু করে। ইরানের এই নওরোজ উৎসবের প্রভাব মধ্য এশিয়ার কোনো কোনো অঞ্চলে লক্ষ করা যায়। কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান প্রভৃতি অঞ্চলেও নববর্ষকে নওরোজ নামে অভিহিত করা হয়। তারা উৎসবটি উদ্‌যাপন করে ২২ মার্চ। উল্লেখ্য, মেঘনাথ সাহা ভারতের যে পঞ্জিকা সংস্কার করেন তাতে ২২ মার্চকে নতুন বছরের ভিত্তি ধরে ওই তারিখের অনুষঙ্গী চৈত্র মাসকেই শকাব্দ পঞ্জিকার নববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার বালি ও জাভা অঞ্চলের পঞ্জিকায় এই শকাব্দের অনুসরণে ২৬ মার্চ নববর্ষ উদ্যাপন করা হয়।

প্রশ্ন ওঠে, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে বাংলা নববর্ষের এক দিনের হেরফের কেন হয়? বাংলাদেশে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে মেঘনাথ সাহার বৈজ্ঞানিক সংস্কার পদ্ধতি অনুসরণ করেই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সনের সংস্কার করেন। এর পরে আরও পরিপূর্ণ সংস্কারের লক্ষ্যে বাংলা একাডেমি একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। তারাও ১৪ এপ্রিলকেই বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন বা পয়লা বৈশাখ হিসেবে গ্রহণ করে। এটি ভারতের বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত পান্ডে কমিটির সুপারিশের (১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ) সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।

থাইল্যান্ডে নববর্ষের নাম ‘সংক্রান’। এই উৎসব এপ্রিলের ১৩ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত বৌদ্ধ নববর্ষ উৎসব হিসেবে উদ্যাপিত হয়। তারা রাস্তায় পানির পিচকারি বা বালতিতে বরফ নিয়ে সেই পানি দিয়ে ভিজিয়ে দেয়। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় এই উৎসব জানুয়ারির শেষ এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে উদ্যাপিত হয়। তাদের বর্ণাঢ্য উৎসব তিন-চার দিন ধরে চলে। কম্বোডিয়ায় নববর্ষ উৎসবের নাম ‘চাউলতানাম থিমেত’। তিন দিন ধরে এই অনুষ্ঠান চলে। উপাসনালয়, মন্দির প্রভৃতি জায়গায় পতাকা উড়িয়ে এবং বুদ্ধমূর্তির উপাসনা এবং বুদ্ধের জলের আশীর্বাদে ধন্য হয় উৎসবকারীরা বৌদ্ধমন্দিরে। লাওসে নববর্ষ উৎসবের নাম ‘পি মেই’। এটি অনুষ্ঠিত হয় মধ্য এপ্রিলে। এই উৎসব থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মতোই। ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটিতে নববর্ষ উদ্যাপিত হয় ৩১ ডিসেম্বর। তাদের অনুষ্ঠানে রাস্তাঘাটকে পুষ্প ও আলোকসজ্জিত করা হয়। মিয়ানমারেও ওই ৩১ ডিসেম্বর নববর্ষ উদ্যাপিত হয়। চীনেও নববর্ষ উৎসব উদ্যাপিত হয় খুব বর্ণাঢ্যভাবে জানুয়ারি মাসে। তাদের নববর্ষ উৎসব কয়েক সহস্র বছরের প্রাচীন।

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন