একসময় ভাবলেন, অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে হবে। আর্থিক কারণে এমন শিক্ষার্থীরা যেন ঝরে না পড়ে, পিছিয়ে না যায়, তার জন্য তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এসব শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সময়ে নিজ বাড়িতে এনে পড়াতেন। তাদের বাড়িতে গিয়েও খোঁজখবর নিতেন। এসব শিক্ষার্থীর পরিবারের আপদে-বিপদেও পাশে দাঁড়াতেন।

রংপুর জিলা স্কুলের বিশাল এলাকাজুড়ে ছিল ঝোপজঙ্গল। নিজে সেগুলো পরিষ্কার করে নানা জাতের গাছ লাগিয়েছেন। খরা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের নিয়ে পানি দেওয়াসহ গাছের পরিচর্যা করেছেন। এসব গাছ এখন অনেক বড় হয়েছে। স্কুলটি হয়ে উঠেছে সবুজ।

স্কুলে একজন মাত্র পরিচ্ছন্নতাকর্মী থাকায় দুই শিফটের ক্লাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাটা সব সময় সম্ভব হয়ে উঠত না। শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিজেই তিনি ক্লাস-কক্ষ পরিষ্কার অভিযানে নেমে পড়েন। এ জন্য অভিভাবকদের কটুকথাও শুনতে হয়েছে। এরপরও থেমে যাননি।

তিস্তাপাড়ের মানুষ শফিয়ার রহমান। ছোটবেলায় দেখেছেন তিস্তার বন্যা ও ভাঙনে সর্বস্ব হারানো মানুষের দুঃখ। বর্তমানে তিনি তিস্তা নদী সুরক্ষায় ‘তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ’-এর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। এই সংগঠনের মাধ্যমে তাঁর নেতৃত্বে ইতিমধ্যে নদীতীরবর্তী দুই পাড়ে ২৩০ কিলোমিটারব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি হয়েছে। এতে অংশ নেন নদীপারের হাজার হাজার মানুষ।

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন