বিজ্ঞাপন
default-image

স্মৃতি হাতড়ে বললেন, ‘চাঁদরাত খুব মিস করি। ঈদের দিনের চেয়ে আগের রাতটাই বেশি মজা করতাম। বন্ধুরা মিলে চাঁদ দেখার অপেক্ষায় থাকতাম। সারা রাত মজা করতাম।’
এখনো বছরে অন্তত একটি ঈদ বাড়িতে উদ্‌যাপন করেন তিনি। নামাজ পড়ে এসে মা–বাবাকে সালাম করার মধ্যেই তাঁর ঈদ আনন্দ। সাদ বলছিলেন, ‘ঈদে নামাজ পড়ে এসে মা–বাবাকে সালাম করি। এটাই এখন সবচেয়ে আনন্দের। এরপর চাচা–চাচিদের সঙ্গে দেখা করি। সেমাই খাই। বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাই।’
ফ্যাশন সচেতন হিসেবে সাদের সুনাম আছে। পোশাক–আশাকে বেশ রুচিশীল। ঈদে পাঞ্জাবি–পায়জামার সঙ্গে চামড়ার স্যান্ডেলই তাঁর পছন্দ। প্রতি ঈদে বন্ধু ও আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে অনেক উপহার পেয়ে থাকেন তিনি। নিজের পছন্দমতোও কিনে থাকেন পাঞ্জাবি।

default-image

ভাইদের মধ্যে তিনি মেজ হওয়ায় ছোট তিন ভাইয়ের আবদারের শেষ নেই তাঁর কাছে। প্রতি ঈদে সবার পছন্দ অনুযায়ী কেনাকাটা করে থাকেন তিনি। ছোট ভাইদের খুশি করতে পারার মধ্যেও আনন্দ খুঁজে পান সাদ, ‘অনেক উপহার পেলেও নিজের পছন্দ অনুযায়ী ঈদের পাঞ্জাবি কিনি। ছোট ভাই কাজিনদের জন্যও তাদের পছন্দ অনুযায়ী জামাকাপড় কেনাকাটা করি। ওদের খুশি দেখার মধ্যেও আমার একটা আনন্দ আছে।’

ঈদের সঙ্গে সেমাই–পায়েসের মতোই অবিচ্ছেদ্য অংশের মতো জড়িয়ে সেলামি। সেটি আর এখন পান না বলে যতটুকু আফসোস আছে, তার চেয়ে বেশি আনন্দের ছোট ভাইবোনদের সেলামি দিতে পারাই। ঈদের মাহাত্ম্যটা যে সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন