বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২৩ নভেম্বরের সে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব), নেপাল দূতাবাস, নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাভেদ আহমেদ বলেন, ‘পর্যটনের কোনো সীমারেখা নেই। তাই আমাদের নিত্যনতুন পর্যটনের খাত বের করা উচিত। এ ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. হাসান মিয়া বলেন, ‘পর্যটকদের জন্য বাংলাদেশ খুবই আকর্ষণীয় জায়গা। একই সঙ্গে অনেক বাংলাদেশিও নেপালের মতো দেশে ঘুরতে যান। পর্যটনকে সুদৃঢ় করতে আমাদের দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

টোয়াবের সাবেক সভাপতি ফরিদুল হক বলেন, ‘বিশ্বায়নের এই সময়ে ক্রস-বর্ডার ও আঞ্চলিক পর্যটন অন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। আমাদেরও নিত্যনতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করা উচিত। এ ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ ক্রীড়নকের ভূমিকা রাখতে পারে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপাল হাইকমিশনের ডেপুটি চিফ অব মিশন কুমার রায়, সেকেন্ড সেক্রেটারি রঞ্জন যাদব, বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল মাহমুদ, বিডি ইনবাউন্ডের সভাপতি রেজাউল ইকরাম, পিএটিএ বাংলাদেশ অংশের চেয়ারম্যান শহীদ হামিদ, ট্যুরিস্ট গাইড অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মাহবুবুল ইসলাম, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, দ্য বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম, নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের অনারারি পাবলিক রিলেশন রিপ্রেজেনটেটিভ মো. তাসলিম আমিন ও নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল এজেন্টের সভাপতি আচিয়ত গুরগেইন প্রমুখ।

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন