যাও, মাফ করে দিলাম

‘ঠিক সময়ে অফিসে যায়?

ঠিকমতো খায় সকালবেলা?’

কবি জয় গোস্বামীর কবিতার মতো প্রাক্তনের প্রতি এমন অভিমান মেশানো জিজ্ঞাসা থাকে অনেকের। কিন্তু অধিকাংশেরই থাকে হাজারটা অভিযোগ, প্রবল ঘৃণা ও ক্ষমাহীন ক্ষোভ। হয়তো এই সব অনুভূতির পেছনের কারণগুলো যথার্থই যৌক্তিক। কিন্তু তা বলে অনুভূতিগুলো সারা জীবন ধরে পুষে রাখারও কি যৌক্তিক কারণ থাকে সব সময়? পুষে রাখা মানেই তো নিরন্তর মানসিক পীড়ন। চলে যাওয়া মানুষটিকে নিজের ভেতর ঘৃণায় বাঁচিয়ে রাখা শুধু। কেবলই যেন বুকের ওপর অনড় জগদ্দল পাথর চাপিয়ে রাখা। তার চেয়ে প্রাক্তনকে নিঃশর্তে ক্ষমা করে দিলে কেমন হয়! অসহনীয় অতীতকে ভুলে যাওয়ার ক্ষেত্রে এর চেয়ে সহজ পথ বোধ হয় কমই আছে।

বিজ্ঞাপন

আজ ১৭ অক্টোবর, প্রাক্তনকে ক্ষমা করে দেওয়ার দিন। ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু হয় বিচিত্র দিবসটির।

চলে গেছে যে মানুষ ফেরার আকুতিকে উপেক্ষা করে, যেতে দিন তাকে। প্রাক্তনকে ক্ষমা করে দেওয়ার এই দিবসে আরেকবার মনে করুন। যা আছে অভিযোগ, ক্ষোভ কিংবা ঘৃণা—সব ভুলে গিয়ে বলে দিতে পারেন, ‘যাও, তোমাকে মাফ করে দিলাম।’

ডেজ অব দ্য ইয়ার অবলম্বনে

মন্তব্য পড়ুন 0