বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাঙালিদের জন্য এই এলাকায় অনেক সুবিধা। এক কিলোমিটারের মধ্যেই ইস্ট লন্ডনের কত্ত বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ আর দোকান। মাছভর্তা খেতে চান? কলাপাতা রেস্তোরাঁয় চলে যান। মিষ্টি খেতে ইচ্ছা করে? আলাউদ্দিন সুইটমিট আছে না!

default-image

প্রশ্ন হলো, লন্ডনে গিয়ে কেন বাঙালি খাবার খেতে হবে? কারণ, অন্য রেস্তোরাঁয় খাবারের দাম দেখলেই খিদে উবে যাবে। পেটে কিছু দিতে হলে এই বাংলাদেশি রেস্তোরাঁগুলো লন্ডনে সাধ্যের মধ্যে সেরা। যেমন নান্না মিয়ার বিরিয়ানি খেলাম পাঁচ পাউন্ডে। ফেরার সময় ঘরের বাজারটাও করে নিলাম সাধ্যের মধ্যে।

পর্যটক আকর্ষক স্থানগুলোর মধ্যে লন্ডন আই, কেব্‌ল কার, লন্ডন টাওয়ার দেখে মনে হয়েছে, সময় নষ্ট। ‘বিগ বেন’ বড়ই লাজুক, সারা বছর মেরামতের চাদরে নিজেকে ঢেকে রাখে। এর চেয়ে বরং ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম আর সায়েন্স মিউজিয়াম দেখলে ভালো হতো।

default-image

লন্ডনে বাংলার ছড়াছড়ি। আফতাব আলী পার্কে আছে শহীদ মিনার। টিউবে টিকিট কাটতে যাবেন, মেশিনে বাংলা ভাষায় টিকিট কিনতে পারবেন। বাকিংহাম প্রাসাদে টিকিট কেনার লম্বা লাইন, একদম মাথায় এসে দেখলাম পাঁচটি ভাষার বুথ—ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, স্প্যানিশ আর বাংলা!

বিদেশে বাংলা ভাষার এত ব্যবহার দেখে ভালো না লেগে উপায় আছে, বলুন?

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন