বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এখন সত্যিকারের শিক্ষক শাহনাজ পারভীন। ২০০৩ সালে বগুড়ার শেরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। এর পর থেকে ‘ভালো শিক্ষক হওয়াটাই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান’। ঝরে পড়া রোধ করার পাশাপাশি শিশুদের কাছে পাঠদানকে কীভাবে সহজ ও আনন্দময় করে তোলা যায়, সেই চেষ্টা করতেন। ২০০৯-১০ সালে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ নারী শিক্ষকের পুরস্কারও পেয়েছেন। ২০১৭ সালে তো ইউনেসকোর মনোনয়নে ভারকি ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল টিচার পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়ে হয়ে ওঠেন সবার চেনা মুখ।

শুধু কর্মস্থলে নয়, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন শেরপুর শিশুকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়। বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চলে এ স্কুলের পাঠদান। বর্তমানে এ স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১৭। শিক্ষার্থীরা কর্মজীবী, কয়েকজন শ্রবণ ও বাক্প্রতিবন্ধী। শিক্ষকতার পাশাপাশি দুস্থ ও অসহায় নারী ও যুবাদের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে হয়ে উঠেছেন সবার প্রিয় ‘শাহনাজ আপা’।

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন