তাঁদেরই একজন আজিজুল হক। তাঁকে পড়াশোনা করানোর সামর্থ্য তাঁর দিনমজুর বাবার ছিল না। পাশে দাঁড়ান শাহাবুদ্দীন। ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর করে এখন শিক্ষকতা পেশায় আছেন আজিজুল। বলছিলেন, ‘শাহাবুদ্দীন স্যার না থাকলে হয়তো পড়াশোনা করতে পারতাম না। তাঁর এমন মহানুভবতা গ্রামের পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে।’

ঘুগরাকাটি গ্রামে যাঁরা পড়াশোনা করেছেন, কাজ করছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে, তাঁদের অধিকাংশের শিক্ষার পেছনে রয়েছে এই শিক্ষকের অবদান।

এস এম শাহাবুদ্দীন বলেন, ‘যখন কেউ কাছে এসে পরিচয় দেয়, পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে, বুকে টেনে নেয়, তখন বুকটা ভরে যায়, চোখে পানি চলে আসে। ভালোবাসার প্রাপ্তি তো এটুকুই।’

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন