বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় একদিন দক্ষিণ সখীপুর গ্রাম থেকে তাঁর ডাক এল। দক্ষিণ সখীপুর আবদুস সাত্তারদের গ্রাম থেকে খুব বেশি দূরে নয়। তবে মেঘনা, ডাকাতিয়া আর পদ্মা নদী চরটির সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা দুর্গম করে তুলেছে। আশপাশের এলাকায় কোনো স্কুল নেই। তাই এলাকার অগ্রগণ্য মানুষ গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই স্কুল পরিচালনার দায়িত্ব আবদুস সাত্তারের ওপর দিতে চান তাঁরা।

অনেক দিন থেকেই মনে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন পুষে রেখেছিলেন আবদুস সাত্তার। তাই প্রস্তাবটা লুফে নিতে এক মুহূর্ত সময় নিলেন না তিনি। ৫০০ টাকা বেতনে শুরু করলেন নতুন দায়িত্ব। সে দায়িত্ব প্রধান শিক্ষকের। ১৯৯৬ সাল থেকে আজও পালন করে চলেছেন সে দায়িত্ব।

default-image

সময় পরিক্রমায় নানা প্রতিকূলতা, চড়াই-উতরাই পেরিয়ে খড়কুটো আর বাঁশ-টিনের স্কুলটি আজ কংক্রিটের দ্বিতল ভবন। ২০১৩ সালে স্কুলটি জাতীয়করণও হয়েছে। তাঁর স্কুলের নাম এখন ১২৯ নম্বর দক্ষিণ সখীপুর সিকদারবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দীর্ঘ ২২-২৩ বছর ধরে শুধু একজন প্রধান শিক্ষক হিসেবেই নয়, একজন আদর্শবান, সৎ, সাদাসিধে মানুষ হিসেবেও দক্ষিণ সখীপুরের মানুষের কাছে প্রিয় এক মানুষ তিনি। সবার কাছে ‘সাত্তার মাস্টার’।

প্র ছুটির দিনে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন