বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুধ-পুলি পিঠা

default-image

উপকরণ: চালের আটা ২ কাপ, পানি ৪ কাপ, তেল ৩ চা-চামচ, চিনি ৪ চা-চামচ, নারকেলকুচি ১ কাপ, এলাচিগুঁড়া ১ চা-চামচ, গুঁড়া দুধ ১০০ গ্রাম, আধা কাপ গুড় ও দুধ ২ লিটার।

প্রণালি: একটি হাঁড়িতে দুধ বা পানি গরম করে ২ চা-চামচ চিনি, ১ চা-চামচ তেল ও স্বাদমতো লবণ দিন। পানি ফুটে গেলে চালের আটা দিয়ে নাড়ুন। পানি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে হবে। চুলা নিভিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন এরপর। ডো তৈরি হলে চুলা থেকে পাত্র নামিয়ে ঠান্ডা করুন। ভালো করে হাত দিয়ে মথে নিতে হবে। ডো হাত দিয়ে গোল করে পুরির মতো আকৃতি বানান। অন্য পাত্রে এলাচিগুঁড়া, ২ টেবিল চামচ গুঁড়া দুধ ও নারকেল কোরা দিন। ৫ মিনিট মৃদু আঁচে রেখে দিন। গুড় দিয়ে নাড়তে থাকুন। মিশ্রণটা আঠালো হয়ে গেলে নামিয়ে রাখুন।

এবার ছোট ছোট চ্যাপ্টা ঝিনুকের মতো করে রাখা ডোয়ের মাঝখানে নারকেলের তৈরি করা মিশ্রণ কিছুটা দিয়ে দুই মাথা বন্ধ করে মুড়ে দিতে হবে। স্টিমারে ৩০ মিনিট বা পিঠা না হওয়া পর্যন্ত স্টিম করুন। স্টিমার না থাকলে হাঁড়িতে পানি দিয়ে তার ওপর ছিদ্র করা পাতিল রেখে পিঠা সেদ্ধ করতে দিন। সেদ্ধ হয়ে গেলে একটি পাত্রে রেখে বাতাসে ছড়িয়ে দিন। অন্য পাত্রে দুধ ও খেজুরের গুড় জ্বাল দিতে হবে। ঘন হয়ে এলে সেদ্ধ করা পুলি পিঠা দুধের মধ্যে একটা একটা করে ছেড়ে দিন। বেশিক্ষণ জ্বাল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। একটু ফুটে উঠলেই নামিয়ে রাখুন। কিশমিশ ও পেস্তাবাদামকুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

ভাপা পিঠা

default-image

উপকরণ: চালের গুঁড়া ২ কাপ, নারকেল কুরানো ১ কাপ, খেজুরের পাটালি গুড় ৫০০ গ্রাম, লবণ ও পানি প্রয়োজনমতো।

প্রণালি: প্রথমেই একটি বাটিতে চালের গুঁড়া লবণ ও পানি দিয়ে শুকনা শুকনা করে মেখে নিন। একটি তারের অথবা বাঁশের চালুনি দিয়ে চেলে নিতে হবে। মাখানো গুঁড়া সুজির মতো হবে। তারপর ছোট ছোট বাটি বা মাটির ঢাকনায় কিছুটা মাখানো সুজির মতো গুঁড়া দিয়ে দিন। তার ওপর নারকেল কোরা ও কেটে রাখা গুড় ছড়িয়ে দিন। তার ওপর আবার চালের গুঁড়ার সুজি দিয়ে সমান করে দিতে হবে।

এবার তৃতীয় ধাপ, ভাপা পিঠা বানানোর ছিদ্রযুক্ত পাতিলে অথবা স্টিমারে পানি ফুটে উঠলে পাতলা কাপড়ে মুড়ে পাতিলের ওপর বসিয়ে দিতে হবে। ৫ থেকে ৭ মিনিট ঢেকে সেদ্ধ করার পর ঢাকনা খুলে তুলে দিন। পরিবেশন করুন ধোঁয়া ওঠা ভাপা পিঠা।

নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন